খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাস্তবসম্মত ও টেকসই প্রকল্পের মাধ্যমে শুশ্রম নির্মূল করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
বাস্তবসম্মত ও টেকসই প্রকল্পের মাধ্যমে শুশ্রম নির্মূল করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: শুধু সেমিনারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবসম্মত ও টেকসই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশ থেকে শিশুশ্রম নির্মূল করতে হবে। আর শিশুশ্রম নির্মূলের কাজ শুরু হতে হবে নিজের ঘর থেকে। আইএলও (ILO) সহ এই খাতে কর্মরত সকল দেশী-বিদেশী সংস্থাকে দেশের সর্বাধিক শিশুশ্রম প্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেনশ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ।

২৯ জুন সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস, ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করি” এই বৈশ্বিক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, চাইল্ড লেবার এলিমিনেশন প্ল্যাটফর্ম (CLEP) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)।

মন্ত্রী বলেন, বস্তি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সচেতনতা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের আরও কাজ করতে হবে। একটি শিশু সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে কিনা, তা নিশ্চিত করা আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা। তিনি আরও বলেন, মানবসম্পদ দেশের সবচেয়ে বড় নিয়ামত এবং এই সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। আগামী এক বছরের মধ্যে টেকসই ও ফলপ্রসূ পাইলট প্রোগ্রাম ডিজাইন করে তা বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, পরের বছর আমি দেখতে চাই, পাইলট প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা কত শতাংশ শিশুকে শ্রম থেকে ফিরিয়ে এনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিতে পেরেছি। বক্তৃতায় যা বলব, তা যেন কাজে বাস্তবায়ন করতে পারি—এটাই আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ।

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ব্যাপক গণসচেতনতা তৈরির জন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মসজিদে জুমার খুতবায় শিশুশ্রমের কুফল এবং এ বিষয়ে ধর্মীয় নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। একইভাবে রামকৃষ্ণ মিশন, বৌদ্ধ বিহার এবং চার্চসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয় ও ধর্মীয় সভাকে এই সচেতনতা তৈরিতে কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে শিশুশ্রম পরিস্থিতির একটি সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করা হয়, যেখানে এ খাতে দেশের অর্জনের পাশাপাশি বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোও তুলে ধরা হয়। শিশুরা শিশু অধিকারবিষয়ক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো. আব্দুর রহমান তারফদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএলও বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব ম্যাক্স টুনন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।