খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইতিবাচক চুক্তি স্বাক্ষরিত United Aid for Nation (UAN) ও দেশ যুব সংগঠনের

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
ইতিবাচক চুক্তি স্বাক্ষরিত United Aid for Nation (UAN) ও দেশ যুব সংগঠনের

সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা, যুব ক্ষমতায়ন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে যৌথ উদ্যোগে কাজ করার লক্ষ্যে United Aid for Nation (UAN) ও দেশ যুব সংগঠন, সিলেট-এর মধ্যে সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব বিষয়ক এক আলোচনা সভা শুক্রবার বিকেল ৩টায় নগরীর একটি ট্রেনিং সেন্টারের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে রাতে একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে ডিনার শেষে স্বাক্ষরিত হয় যৌথ শক্তি নেওয়া। দেশ ও জাতির কল্যাণে সরকারকে সহযোগিতামূলক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও দক্ষ যুবশক্তি গঠনে একসাথে কাজ করা জিরো প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

দেশ যুব সংগঠন, সিলেট-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক ও অভিনয়শিল্পী মোঃ কামাল-এর সভাপতিত্বে উদ্যোক্তা ও সিলেটের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান উপস্থাপক হ্যাপি জান্নাত ও দেশ যুব সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এম. এইচ. হাফিজের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন দেশ যুব সংগঠনের উপদেষ্টা ও জাতীয় দৈনিক ঢাকার ডাক এর সিলেট ব্যুরো চীফ বিশিষ্ট সাংবাদিক এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া।

 

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন United Aid for Nation (UAN)-এর সেক্রেটারি জেনারেল, আন্তর্জাতিক মানবিক কর্মী (International Humanitarian Activist) ও Global Diplomat কাজী আব্দুল্লাহ।

 

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবিক মূল্যবোধ, দক্ষ যুব নেতৃত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতাই টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। তিনি আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে যৌথভাবে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সিলেট-এর প্রধান প্রশিক্ষক (মৎস্য) ও জেলা নিবন্ধিত যুব সংগঠনের প্রতিনিধি, জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগঠক মোঃ নজরুল ইসলাম, হাসন রাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, সিলেট-এর সাধারণ সম্পাদক সুলেমান হোসেন চুন্নু, United Aid for Nation (UAN)-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার অ্যান্ড ইয়ুথ কোলাবোরেটর মোঃ মেহেদী হাসান এবং জেলা নিবন্ধিত যুব সংগঠনের প্রতিনিধি মোঃ শাহ আলম। দেশ যুব সংগঠনের নেত্রী ও নারীর উদ্যোক্তা শারমিন বশর, সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট জেলা কমিটির সদস্য নয়ন,

 

অনুষ্ঠানের সূচনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন দেশ যুব সংগঠনের সদস্য রুবিনা আক্তার পলি।

 

আলোচনা সভায় উভয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মানবিক সহায়তা, যুব উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা বৃদ্ধি, সামাজিক সচেতনতা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে যৌথ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে ইতিবাচক মতবিনিময় করেন। সভায় ভবিষ্যতে সমঝোতার ভিত্তিতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।