খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইসলামী ব্যাংকে ফিরছে আমানতের আস্থা:রাজশাহী শাখায় গ্রাহক সেবা মাস ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
ইসলামী ব্যাংকে ফিরছে আমানতের আস্থা:রাজশাহী শাখায় গ্রাহক সেবা মাস ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রযাত্রায় গড়ি আগামীর বাংলাদেশ,এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের অগ্রদূত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ও আমানত প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদি আমানত, ফিক্সড ডিপোজিট এবং সঞ্চয়ভিত্তিক স্কিমে নতুন করে গ্রাহকদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, যা ব্যাংকটির প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও নির্ভরতারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এই প্রেক্ষাপটে বুধবার বিকেল ৫টায় রাজশাহীর আলুপট্টি মোড়ে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক কার্যালয়ে ‘গ্রাহক সেবা মাস’ উপলক্ষে এক আন্তরিক ও প্রাণবন্ত গ্রাহক কৃতজ্ঞতা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

 

 

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের দীর্ঘদিনের সেবা কার্যক্রম, গ্রাহকবান্ধব উদ্যোগ, আমানত ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ব্যাংকের প্রতি অবিচল আস্থা ও সমর্থন অব্যাহত রাখায় সম্মানিত গ্রাহকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

 

বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে ইসলামী ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা, নিরাপদ বিনিয়োগ, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং শরিয়াহসম্মত কার্যক্রমের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি লাখো মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক আমানত বৃদ্ধির ধারাও সেই আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।

 

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. খালেকুজ্জামান, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রাজশাহী জোন প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন। এছাড়াও শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ রেজা, সমাজসেবী, ব্যবসায়ী, নারী উদ্যোক্তা এবং শতাধিক গ্রাহক অংশ নেন।

 

বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা ও ব্যাংকের সম্মানিত গ্রাহক আয়শা আক্তার লিজা বলেন, “এক সময় ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে নানা আলোচনা ও প্রশ্ন ছিল। কিন্তু বর্তমানে দক্ষ নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা, সততা, জবাবদিহিতা এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাংকটি আবারও মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আজ গ্রাহকরা নিশ্চিন্তে তাদের সঞ্চয় ও বিনিয়োগ ইসলামী ব্যাংকের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

 

বক্তারা আরও বলেন, একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার গ্রাহক। সেই গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসাকে ভিত্তি করেই ইসলামী ব্যাংক নতুন উদ্যমে এগিয়ে চলেছে। উপস্থিত গ্রাহকেরা ব্যাংকের সেবার মান, কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করেন। তারা ব্যাংকের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নিজেদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উষ্ণ,সৌহার্দ্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সভা শেষ হয় ব্যাংকের উত্তরোত্তর সাফল্য,গ্রাহকসেবা সম্প্রসারণ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে। উপস্থিত সবার অভিমত ছিল,গ্রাহকের আস্থাই ইসলামী ব্যাংকের সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যাবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।’

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।