খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহীতে পূবালী ব্যাংকের,ক্যাশলেস’ লেনদেন চালু,একযোগে উদ্বোধন হলো ১৪টি ই-বুথ  

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে পূবালী ব্যাংকের,ক্যাশলেস’ লেনদেন চালু,একযোগে উদ্বোধন হলো ১৪টি ই-বুথ  

লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস,এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ,এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজশাহীতে,ক্যাশলেস রাজশাহী’কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি। নগদ অর্থের ব্যবহার হ্রাস এবং তৃণমূল পর্যায়ে ডিজিটাল লেনদেন জনপ্রিয় করতেই এই উদ্যোগ।এখন থেকে,বাংলা কিউআর,এর মাধ্যমে একটি মাত্র QR কোড স্ক্যান করেই সব ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের অ্যাপ থেকে পেমেন্ট করা যাবে।

 

শনিবার নগরীর গ্র্যান্ড রিভারভিউ হোটেলে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মিনু। ফিতা কেটে তিনি একযোগে পূবালী ব্যাংকের ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথেরও শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

 

পূবালী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান জনাব মোঃ সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহীর নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ আমজাদ হোসেন খান, পরিচালক জনাব মোঃ বায়েজীদ সরকার ও জনাব মোঃ নাজিম উদ্দিন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক জনাব আজিজুর রহমান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মোঃ শাহনেওয়াজ খান এবং এডিসি ডিভিশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও ডিভিশন হেড জনাব মোঃ রবিউল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ক্যাশলেস লেনদেন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাংলা কিউআর-এর মাধ্যমে এখন থেকে রাজশাহীর সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবাই নিরাপদে ও দ্রুত লেনদেন করতে পারবেন। এটি সময় ও অর্থ দুই-ই সাশ্রয় করবে।

 

পূবালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও মোহাম্মদ আলী জানান,একটি মাত্র কিউআর কোড স্ক্যান করেই গ্রাহক যেকোনো ব্যাংকের অ্যাপ বা এমএফএস থেকে পেমেন্ট করতে পারবেন। এতে ব্যবসায়ীদের একাধিক কিউআর রাখার ঝামেলা কমবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

 

একযোগে চালু হওয়া ১৪টি ই-বুথ:

রাজশাহীর বারিন্দ মেডিকেল কলেজ ও হসপিটাল,দড়িখরবোনা,খড়খড়ি বাজার, বাঘা বাজার,বনমলিয়া বাজার,প্রেমতলি বাজার;চাঁপাইনবাবগঞ্জের নতুনহাট, রানীহাটী গোমস্তাপুর বাজার;পাবনার রূপপুর, দাশুরিয়া বাজার,দেবোত্তর বাজার, বনগ্রাম বাজার এবং নাটোরের মৌখড়া বাজার।

 

কর্মসূচির আওতায় রাজশাহী শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে বাংলা কিউআর সেবা চালু করা হবে। এর আগে কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।