খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

৩ দিনব্যাপী মা ও নবজাতকের যত্ন, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
৩ দিনব্যাপী মা ও নবজাতকের যত্ন, কিশোর-কিশোরীদের  স্বাস্থ্য ও কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে মা ও নবজাতকের যত্ন, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য এবং কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ১২ জুলাই’২০২৬ইং কুড়িগ্রাম এসএসবিসি প্রকল্প অফিস ওয়াল্ড ভিশনে অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, ইউনিসেফ এর আর্থিক সহযোগিতায় কুড়িগ্রাম জেলার (কুড়িগ্রাম সদর, ও নাগেশ্বরী উপজেলায়) এসএসবিসি প্রকল্পটি মাতৃ, নবজাতক, শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য উন্নয়নে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রকল্পটি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ উল্লেখিত উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের (CHCP, HA, AHI, HI, MT-EPI,FPI and FWA) Maternal Newborn Care and Adolescent Health (MNCAH) এর উপর দক্ষতা উন্নয়নে এসএসবিসি প্রকল্প অফিসে ১২-১৪ই জুলাই মোট ০৩ (তিন) দিন ব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস, উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা মোজাম্মেল হক, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ এসএম গোলাম মোহাইমেন, মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবু রায়হান, মেডিকেল অফিসার ডিজিস কন্ট্রোল ডাঃ আর রাফি তামজিদ, মেডিকেল অফিসার মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শাহাদাত শাহরিয়ার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক আজিজুল হক, প্রজেক্ট অফিসার জেমস উজ্জ্বল শিকদার, ফিন্যান্স এন্ড এডমিন গ্রাবরিয়েল শিকদার প্রমূখ। উদ্বোধনী বক্তব্যে আমন্ত্রিতবৃন্দ বলেন, মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী এবং সচেতন জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, মানসিক সুস্থতা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।