খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহী চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে একটি আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন ও আন্তর্জাতিক মানের সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি ।

১৩ জুলাই সোমবার রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডের কারণে রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ অবস্থার পরিবর্তনে সরকার আন্তরিক ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই একটি বিশেষজ্ঞ দল রাজশাহীতে এসে চিড়িয়াখানাটিকে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাই করবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

ইতোপূর্বে চিড়িয়াখানায় থাকা যেসব প্রাণী বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে গেছে বা অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে, সেসব বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পর্যায়ক্রমে নতুন প্রাণী সংযোজনের মাধ্যমে চিড়িয়াখানার আকর্ষণ ও জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি করা হবে। চিড়িয়াখানায় হরিণের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তাদের খাদ্যসংকটের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পার্কে ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত হরিণ রয়েছে। ফলে খাদ্য সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনায় কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দলের সুপারিশ অনুযায়ী পরিবেশসম্মত ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

রাজশাহীতে স্লটারিং হাউস স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের  প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নগরবাসীর জন্য স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু জবাই ও মাংস বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি আধুনিক মিট প্রসেসিং সেন্টার (স্লটারিং হাউস) স্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় স্থান ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা: মো: বয়জার রহমান, জেলা প্রশাসন ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

বক্তব্যে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট কমানো এবং সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কংগ্রেসটির আয়োজক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস