খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৬ পালিত

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
রাজশাহী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৬ পালিত

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ ৫ আগস্ট ২০২৬,বুধবার বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লাজা চত্বরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং সিনেট হলে কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতার লেখা ইমেইলে জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৬ আগস্ট।

পরে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। এরপর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী,জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সাকিব আনজুমসহ সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু জাফর মোঃসাদি অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের চেতনা নিয়ে আলোচনা করেন। তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণ সমাজকে ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডঃমোঃখাদেমুল ইসলাম মোল্যা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ডঃমোঃহাবিবুল্লাহ, রেজিস্ট্রার লেঃকর্নেল খালেদ বিন ইউসুফ (অবঃ), বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানগণ,শিক্ষক-শিক্ষিকা,কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।