খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মার্কিন বাজারে তৈরি পোশাকের প্রচারণায় সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
মার্কিন বাজারে তৈরি পোশাকের প্রচারণায় সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি: উত্তর আমেরিকার অন্যতম শীর্ষ ফ্যাশন সোর্সিং ট্রেড ফেয়ার ‘সোর্সিং অ্যাট ম্যাজিক ২০২৬’-এ নিজেদের সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার লাস ভেগাস ট্রেড সেন্টারে ১০ থেকে ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনীতে বৈশ্বিক ক্রেতা ও তৈরি পোশাক খাতের শিল্প অংশীদারদের নজর কেড়েছে ‘বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন’।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর আর্থিক সহযোগিতা এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মেলায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ২০টি তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান ২১টি বুথ নিয়ে অংশ নেয়।

বিশ্বব্যাপী পোশাক প্রস্তুতকারক, টেক্সটাইল ও ফ্যাব্রিক সরবরাহকারী, বায়ার, প্রখ্যাত ব্র্যান্ড ও ডিজাইনারদের সংযোগ ঘটাতে ‘সোর্সিং অ্যাট ম্যাজিক’ আন্তর্জাতিকভাবে বহুল স্বীকৃত। মার্কিন বাজারে প্রবেশ এবং বৈশ্বিক সোর্সিংয়ের নতুন দুয়ার খুলতে মেলাটি অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে।এবারের আসরে বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রসহ ২৪টি দেশের প্রদর্শকরা অংশ নেন। মেলায় প্রায় ৮০০টিরও বেশি স্টল বা বুথ স্থান পায়। তিন দিনব্যাপী এ ইভেন্টে ৭০টি দেশের আনুমানিক ৮,৫০০ জন দর্শনার্থী সমাগম ঘটে, যার মধ্যে ৭৩ শতাংশেরই বেশি ছিলেন উচ্চপর্যায়ের বায়ার এবং খাতের নীতি-নির্ধারক।

বাংলাদেশি প্রদর্শকরা বিশ্ব বাজারে নিজেদের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা প্রদর্শন করেন। বিশেষ করে নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস, ক্যাজুয়াল পোশাক, কটন শার্ট, প্রিমিয়াম ডেনিম, স্পেশালাইজড ওয়াশড প্রোডাক্ট এবং উচ্চ মূল্যের (হাই-মার্জিন) ফর্মালওয়্যার প্রদর্শন করে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন।

মেলা চলাকালীন বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিক বায়ারদের সঙ্গে বিপুল সংখ্যক বিজনেস-টু-বিজনেস (B2B) মিটিং ও বাণিজ্য আলোচনায় অংশ নেন। এতে প্রচুর ব্যবসায়িক ইনকোয়ারি বা অনুসন্ধান পাওয়ার পাশাপাশি নতুন রপ্তানি অর্ডারের সম্ভাবনার পথ উন্মোচিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন খাতের পরিবর্তনশীল চাহিদার সঙ্গে বাংলাদেশ যে মানিয়ে নিতে প্রস্তুত—এ মেলায় তা সফলভাবে প্রমাণিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি, রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণ এবং একটি নির্ভরযোগ্য সোর্সিং গন্তব্য হিসেবে দেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করতে এই অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।