খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২৫০ কিলোমিটার অংশে স্বয়ংক্রিয় ‘অটো ফাইন সিস্টেম’।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ প্রান্তের কন্ট্রোল রোম এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহাম্মেদ এমপি।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটিগেইট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার অংশে যানবাহনের চলাচল নজরদারির জন্য এক ১ হাজার ৪’শ ২৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে প্রায় ১৩ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে পরীক্ষামূলক ভাবে বালুয়াকান্দি এলাকায়ও এ ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে। তবে গজারিয়ার এই অংশে আরো কয়েকটি স্থানে এআই ক্যামেরা বসানো হবে বলে জানিয়েছেন ভবেরচর হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ শাহ কামাল আখন্দ।

নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে যানবাহন চলাচলসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা হবে। পরে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য ও জরিমানার বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা, গাড়ির মালিক ও চালকরা জানান, শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক নয়, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কসহ দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কেও এ প্রযুক্তির আওতায় আনা প্রয়োজন। এতে যানবাহনের চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং উল্টোপথে গাড়ি চালানোর প্রবণতা কমবে।
তাদের মতে, এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও জরিমানার আওতায় আনা হলে চালকদের মধ্যে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতার প্রবণতাও কমবে। ফলে মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি যান চলাচলে আরও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।