খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহীতে থানার এএসআইদের নিয়ে পুলিশ কমিশনারের মাসিক পারফরমেন্স পর্যালোচনা সভা

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
রাজশাহীতে থানার এএসআইদের নিয়ে পুলিশ কমিশনারের মাসিক পারফরমেন্স পর্যালোচনা সভা

রাজশাহী মহানগরীর সকল থানার সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই)দের নিয়ে মাসিক পারফরমেন্স পর্যালোচনা সভা করেছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার।

বুধবার (১৯ আগস্ট ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্মানিত পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি,আইন প্রয়োগে প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, বিট পুলিশিং কার্যক্রম এবং জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সভায় পুলিশ কমিশনার বলেন, সাধারণ জনগণকে হয়রানিমুক্ত, দ্রুত ও কাঙ্ক্ষিত পুলিশি সেবা দিতে হবে। পুলিশের প্রতিটি কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব,দায়িত্বশীলতা ও জনবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। জমি-জমা বা জায়গা-জমি দখল সংক্রান্ত বিরোধে পুলিশের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সকল অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) যথাযথ যাচাই-বাছাই করে দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে মালামাল রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী হকার ও দোকানদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে থানা এলাকায় নিয়মিত ও দৃশ্যমান টহল জোরদার করে চুরি, ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেন। রাত ১০টার পর আবাসিক এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন পুলিশ কমিশনার।

এছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে নজরদারি বৃদ্ধি, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করতে এএসআইদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ কমিশনার বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন,জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক আস্থা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সেবা প্রত্যাশীদের সঙ্গে সৌজন্যপূর্ণ আচরণ, দ্রুত সাড়া প্রদান এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার(ক্রাইম) জনাব মোঃফারুক হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) জনাব মোঃআবুল কালাম সাহিদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও আরএমপির মুখপাত্র জনাব মোঃগাজিউর রহমান, পিপিএম সহ আরএমপির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।