খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন

সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি সরকারি প্রতিষ্ঠান, সাধারণ মানুষ কিংবা অন্য কোনো সংবাদকর্মীর ওপর প্রভাব বিস্তার, হুমকি বা পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন সেটি অবশ্যই তদন্তে আইনের আওতায় আসা প্রয়োজন। ববার কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ থাকলেও তার সুষ্ঠু তদন্ত জরুরি।

সিলেটের গোলাপগঞ্জে সরকারি হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় খালেদ নামে এক সংবাদকর্মীকে স্বপন নামের অন্য একজন সংবাদকর্মী হেনস্তা ও ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনায় ফুসে উঠেছে গোলাপগঞ্জবাসী।

তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করে আটচল্লিশ ঘন্টার সময় বেঁধে দিয়েছেন।

সিলেটে পেশাগত দায়িত্ব পালনে হেনস্তা ও ভয়ভীতি দেখানোর প্রতিবাদে গোলাপগঞ্জ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মুখে এক
মানববন্ধন ্কর্মসূচি পালন করা হয়।।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় উপজেলার স্থানীয় এলাকাবাসীর আয়োজিত মানববন্ধনে গণমাধ্যমকর্মী, সমাজসেবক, কবি-সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন।

শুরুতেপবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সূচিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ড. লায়েক আহমদ।
কবি ও সাংবাদিক জুবের আহমদ সার্জনের সঞ্চালনায়লনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় দৈনিক ‘ঢাকার ডাক’-এর সিলেট ব্যুরো প্রধান সাংবাদিকএমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের সদস্য কামাল খান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক খালেদ আহমদ, দেশের স্বার্থে এবং সত্য প্রকাশের জন্য নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চরম হেনস্তা ও কুরুচিপূর্ণ হুমকির শিকার হয়েছেন। স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর এ ধরনের আঘাত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাইম টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক নিয়াজ খান, সিনিয়র সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম সুহেল, নিজাম উদ্দিন, আশরাফ আহমদ, সাংবাদিক মো. শিহাব উদ্দিন।
স্বাগত বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক খালেদ আহমদ। এছাড়া সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সেলিম আহমদ, তবারক আলী, সাহেদ আহমদ, শেখ মজির উদ্দিন, নাঈম আহমদ এবং মীর কাওছারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।-

উল্লেখ্য, থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরির আবেদনের নথি পর্যালোচনায় জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ রাতে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনাটির সূত্রপাত।
গোলাপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরির আবেদন করে সৈয়দ জেলওলোয়ার হোসেন স্বপন নিজেই ঘটনার জানান দেন। তবে তার দাবী তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।