খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জায়গা দখল করে যানজট, চাঁদাবাজির অভিযোগ

নাজমুল ইসলাম
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জায়গা দখল করে যানজট, চাঁদাবাজির অভিযোগ

বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় একদিকে যেমন সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে সড়কের জায়গা দখল করে দোকানপাট ও অস্থায়ী বাজার বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আশুলিয়ার ইউনিক, শিমুলতলা, জামগড়া ও নরসিংহপুর এলাকায় মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দোকানপাট ও অস্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বসানো হয়েছে। ফলে ব্যস্ত সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। বিশেষ করে পথচারীদের এক পাশ থেকে অন্য পাশে সড়ক পারাপারে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

বুধবার ২৬ আগস্ট সরেজমিনে গেলে কয়েকজন দোকানদার জানায়, কৌশলে সড়কের জায়গা দখল করে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে দোকানপ্রতি কৌশলে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে টাকা আদায় করা হলেও বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

নির্মাণকাজের পাশাপাশি সড়কের জায়গা দখল, অবৈধ দোকানপাট ও কথিত চাঁদা আদায়ের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীদেরও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও নির্মাণকাজের কারণে জনদুর্ভোগ কমাতে অতিরিক্ত জনবল, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের নির্মাণের জায়গা কীভাবে দখল করছে কারা?

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।