খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মিনি সুইজারল্যান্ড,খ্যাত পদ্মার মিডল চর পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক ও প্রাণিসম্পদ ডিজি

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
মিনি সুইজারল্যান্ড,খ্যাত পদ্মার মিডল চর পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক ও প্রাণিসম্পদ ডিজি

‘মিনি সুইজারল্যান্ড,খ্যাত রাজশাহীর পদ্মা নদীর মিডল চর পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন-রাসিকের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃশাহজামান খান।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে তারা পদ্মার মনোরম মিডল চর পরিদর্শন করেন। এসময় তারা চরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদীর তীরবর্তী পরিবেশ ও চরাঞ্চলের সার্বিক সম্ভাবনা ঘুরে দেখেন এবং চরে বসবাসকারী বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে তাদের খোঁজ-খবর নেন।

পরিদর্শনকালে রাজশাহীর পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পদ্মার মিডল চরকে আরও আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা করেন তারা। পদ্মার বুকে জেগে ওঠা সবুজে ঘেরা এই চরটি ইতোমধ্যে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা) ডঃমোঃবজলুর রহমান,প্রকল্প পরিচালক ডঃমোঃসফিকুর রহমান,রাজশাহী বিভাগের পরিচালক ডঃআনন্দ কুমার অধিকারী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন সহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও রাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।