খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গুদামের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রকৃত সেবা গ্রহীতাদের খাদ্য কর্মসূচির সুবিধা নিশ্চিত করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
গুদামের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রকৃত সেবা গ্রহীতাদের খাদ্য কর্মসূচির সুবিধা নিশ্চিত করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: গুদামের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে আমরা কাজ করছি। সরকারি খাদ্য কর্মসূচির প্রকৃত সুফল যাতে প্রকৃত সেবা গ্রহীতারা পান, তা নিশ্চিত করা হবে মর্মে  জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সদর এলএসডির (লোকাল স্টোরেজ ডিপো) বেউথা ক্যাম্পাস এবং সাটুরিয়া উপজেলার সাটুরিয়া এলএসডি আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যেকোনো সময় দুর্যোগ পরিস্থিতি আসতে পারে। তখন যেন আমরা তা সামাল দিতে পারি, সেভাবেই খাদ্য মজুত করা হচ্ছে।পরিদর্শনকালে খাদ্যমন্ত্রী গুদামে সংরক্ষিত ধান, চাল, গম ও আটার মজুত, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং খাদ্যশস্যের গুণগতমান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি গুদামগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপদ সংরক্ষণ ব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

খাদ্যগুদামগুলোতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে কি না এবং মজুত খাদ্যশস্য নিরাপদ ও মানসম্মত অবস্থায় রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করাই আমার প্রথম কাজ। এ লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করা হবে। মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “এখানে মজুত করা ধান, গম ও আটার গুণগতমান সন্তোষজনক। মানিকগঞ্জে যেভাবে খাদ্য মজুত রয়েছে, দেশের অন্যান্য জেলাতেও একই ধরনের মজুত রয়েছে।

দুর্যোগ কিংবা কোনো সংকট দেখা দিলে যাতে দ্রুত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়, সে জন্য প্রতিটি জেলায় চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য মজুত গড়ে তোলা হচ্ছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য মজুত রয়েছে। কোনো ধরনের খাদ্য সংকট নেই। জনগণের জন্য আমাদের মজুত ধান, চাল, গমসহ অন্যান্য খাদ্যশস্য প্রয়োজন অনুযায়ী সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সরবরাহ করা সম্ভব।

খাদ্যগুদামে কোনো ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা কিংবা খাদ্যশস্যের গুণগতমান নিয়ে সমস্যা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী।

খাদ্যগুদামে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।সম্প্রতি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামে অনিয়ম পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

 

 

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।