খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে খুলশীতে হিজড়া সম্প্রদায়ের গুরুমা খ্যাত মৌসুমী হত্যাকারী মোমিন গ্রেপ্তার

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে খুলশীতে হিজড়া সম্প্রদায়ের গুরুমা খ্যাত মৌসুমী হত্যাকারী মোমিন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের খুলশী এলাকায় হিজড়া সম্প্রদায়ের ‘গুরুমা’ মোহাম্মদ মহসীন ওরফে মৌসুমী হিজড়া হত্যার ঘটনায় মো. মোমিন ওরফে শেখ রনি (৩৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ( ৭ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে খুলশী থানার বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম। জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজনকে শনাক্ত করা হয়। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

গ্রেপ্তারের বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ আবদুর রহিম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মোমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেবেন বলে জানিয়েছেন। এ কারণে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আর্থিক দ্বন্দ্বের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার মোমিন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানার সব্দলপুর গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার পাঠানপাড়া এলাকায় ফাল্গুনী হিজড়া নামের এক হিজড়া নেত্রীর বাড়িতে থাকতেন। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয়ভাবে তিনি ফাল্গুনী হিজড়ার ‘কথিত স্বামী’ হিসেবে পরিচিত। এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমবাগান রেলওয়ে কলোনি-সংলগ্ন হিজড়া কলোনির একটি বাসা থেকে মৌসুমী হিজড়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই বাসায় একা থাকতেন। ঘটনার পর বাসাটির কাছের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।