খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: খাদ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: খাদ্যমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দেশের খাদ্যশিল্পের বিকাশে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিপুল সম্ভাবনাময় খাদ্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে সরকার, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে আয়োজিত ১১তম বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক এক্সপো-২০২৬-এর উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষক ও কৃষির উন্নয়ন এবং জনগণের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।উদ্বোধন শেষে তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

খাদ্য মন্ত্রী আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ক্ষেত্রে খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের খাদ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যশিল্পের উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কাজে লাগিয়ে দেশের খাদ্যপণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

দেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, অপচয় হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর মতো আয়োজন উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি করে সরকারের এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) এবং রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (রিমস) যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এবারের প্রদর্শনীতে ৩৭টি দেশের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড অংশ নিচ্ছে। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আলজেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইতালি, জাপান, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, সুইজারল্যান্ড, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তুরস্ক, স্পেন, সুইডেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ।

বাপার সভাপতি মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, এফবিসিসিআইএর প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান।এক্সপো আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরীসহ বাপা, এক্সপো আয়োজক কমিটি এবং রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের (রিমস) প্রতিনিধিরা।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

বক্তব্যে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট কমানো এবং সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কংগ্রেসটির আয়োজক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস