খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আশুলিয়ার ধামসোনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী গফুর মিয়ার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ছাত্রদল, বিজয় নিশ্চিতের প্রত্যয়

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ার ধামসোনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী গফুর মিয়ার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ছাত্রদল, বিজয় নিশ্চিতের প্রত্যয়
ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আঃ গফুর মিয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধামসোনা ইউনিয়নে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তারা চেয়ারম্যান প্রার্থী আঃ গফুর মিয়ার হাতে ফুল তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন বলেন, আসন্ন ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আঃ গফুর মিয়াকে বিজয়ী করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করব। দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ধামসোনা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। আঃ গফুর মিয়াকে বিজয়ী করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। ইনশাআল্লাহ, আসন্ন নির্বাচনে তার বিজয় সুনিশ্চিত করতে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব। চেয়ারম্যান প্রার্থী আঃ গফুর মিয়া নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমাকে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা এবং সহযোগিতা নিয়ে আমি নির্বাচনে এগিয়ে যেতে চাই। ধামসোনা ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের ১নং সহসভাপতি জনি দেওয়ান,আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের সভাপতি সানোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হাবিবসহ ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আঃ গফুর মিয়ার বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

রায়হান উদ্দিন সরকার
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উপজেলার প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকাভুক্ত করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে গৌরীপুর জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক প্রাচীন ভবন—বর্তমানে গৌরীপুর মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণের সামনে—সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরি ও এসিক এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এবং ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

এর আগে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক ধান মহালস্থ ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির মিলনায়তনে প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর ওপর ডিসপ্লে ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

রবিবারের সমাবেশ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর বীরাঙ্গনা সখিনা সিলভার পেন অ্যাওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন সরকার, সহকারী অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, গৌরীপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক মো. আনোয়ার হোসেন, গৌরীপুর উপজেলা বিএনপি কমিটির সদস্য ও উপজেলা শাখার ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মীর হোসেন মিরন, গৌরীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হুদা লিটন, সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, সাবেক সভাপতি মহসিন মাহমুদ শাহ, বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল গফুর, সাংবাদিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম, সাংবাদিক সুপক রঞ্জন উকিল, সাংবাদিক মো. দিলীপ কুমার দাস এবং এসিক ইয়ুথ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ শাহ প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, ময়মনসিংহের উত্তরের জনপদ গৌরীপুর রাজা-জমিদারদের স্মৃতিবিজড়িত একটি ঐতিহাসিক জনপদ। এখানে মুঘল, সুলতানি ও ব্রিটিশ আমলের বহু প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রয়েছে ১২টি জমিদারবাড়ির ইতিহাস ও স্থাপত্যনিদর্শন, প্রাচীন মসজিদ, ঐতিহাসিক দীঘি, মন্দির, মধ্যযুগীয় মাজার, দুটি কেল্লা বা ফোর্টের ধ্বংসাবশেষ এবং ইতিহাসখ্যাত ব্যক্তিদের সমাধি।

 

এ ছাড়া পূর্ব বাংলার গীতিকায় সমৃদ্ধ বীরাঙ্গনা সখিনার ইতিহাস ও সমাধি এবং মুঘল আমলের খাজা উসমান খাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক কেল্লার নিদর্শনও গৌরীপুরের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

 

তারা বলেন, এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্ননিদর্শন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে গৌরীপুরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য উপজেলার প্রাচীন নিদর্শনগুলো জরিপ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, সংরক্ষণ ও পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান তারা।

 

স্মারকলিপি প্রদান

সমাবেশ শেষে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পার মাধ্যমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

স্মারকলিপিতে গৌরীপুরের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করে তালিকাভুক্তি, সংরক্ষণ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

 

আয়োজকদের প্রত্যাশা, সরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গৌরীপুরের হারিয়ে যেতে বসা ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরা সম্ভব হবে।