গজারিয়ায় অবৈদ গ্যাস সংযোগে চলা চুনা কারখানা গুড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, দুই প্রতিষ্ঠান কে অর্থ দন্ড
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দিতে গড়ে ওঠা একটি অবৈধ চুনা কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে গজারিয়া উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অবৈধ কাজে সহযোগিতা করায় জমির মালিকের নামে নিয়মিত মামলা ও বিদুৎ সংযোগ প্রদান করায় আইমা এলপিজি পাম্প কে ৫০ হাজার, ড্রাইভার হোটেলকে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও বিদুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফসা নাদিয়া এর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার(১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই চুনা কারখানাট গুঁড়িয়ে দেয় প্রশাসন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়,গত কয়েক মাস যাবৎ এই কারখানায় বিশাল আকৃতির চুল্লিতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ মাধ্যমে গ্যাস ও কাঠ জ্বালিয়ে চুনা পাথর পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছিল চুন। এর আগে পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রথমবার কারখানাটিতে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফসা নাদিয়া। সে সময় কারখানাটি বন্ধ করে দুইজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে এর দুইদিন পর প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় তাদের কার্যক্রম চালু করলে বৃহস্পতিবার আবার সেখানে অভিযান চালানো হলো।
এ বিষয়ে নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া বলেন,এই কারখানায় গত ক’দিন আগে অভিযান চালিয়ে দুই জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, পূর্ণরায় চালু করায় জমির মালিকের নামে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে,এছাড়াও বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে সহায়তা করায় আইমা এলপিজি ফিলিং স্টেশন,ড্রাইভার হোটেল এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সানোয়ার হোসেন। কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ গজারিয়া জোনের এর এজিএম আসিফ মোস্তফার।
অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ ফিরোজ মিয়া নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স দুটি ইউনিট।
গজারিয়া থানার পুলিশের উপ পরিদর্শক আব্দুল হাদীর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্য।


আপনার মতামত লিখুন