খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ইতালির সরকার সবসময় দৃঢ় সমর্থন দেয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ইতালির সরকার সবসময় দৃঢ় সমর্থন দেয়

বিশেষ প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিরাপদ ও আইনগত মাইগ্রেশনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা সংকটে তাদের পুনর্বাসনের জন্য প্রতি বছর ইতালির সরকার বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশকে দিয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

২০ সেপ্টেম্বর রবিবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি’র সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাত করতে এলে এসব কথা জানান স্পিকার।

স্পীকার বলেন, বাংলাদেশের সাথে ইতালির অকৃত্রিম বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ইতালি বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইতালির সম্পর্কের সূচনা হয়। বাংলাদেশের অভিবাসীদের জন্য ইতালি সবসময় উদারতা দেখিয়ে আসছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইতালি বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের বৃহৎ গন্তব্য।সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিরাপদ ও আইনগত মাইগ্রেশনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা সংকটে তাদের পুনর্বাসনের জন্য প্রতি বছর ইতালির সরকার বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশকে দিয়ে থাকে।

ইতালি বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। ইতালির বিভিন্ন মেশিনারি যন্ত্রপাতি বাংলাদেশের বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, ইতালি ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রচলিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সামনে আরও কৌশলগতভাবে বিস্তার লাভ করবে।

ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ইতালির পুরনো বন্ধু। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ইতালির সরকার সবসময় দৃঢ় সমর্থন দেয়। বাংলাদেশ ও ইতালির সংসদের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন ও সংসদীয় প্রতিনিধির সফর বিনিময়ের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির বিস্তারে ইতালির সরকার আগ্রহী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও সিরামিকপণ্য প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে ইতালিতে রপ্তানি হয়ে থাকে।সাক্ষাতকালে তারা উভয়েই সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধান, জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং কূপ খননের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

স্পীকার এসময় বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় মজুতকৃত গ্যাস ও তেল সম্পদ উত্তোলনে ইতালির বাণিজ্যিক কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।বৈঠকে ইতালির দূতাবাসের কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

বক্তব্যে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট কমানো এবং সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কংগ্রেসটির আয়োজক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস