খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নোয়াখালীতে গৃহবধূর বিষপানে আত্নহত্যা

মোতাহার হোসেন
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ
নোয়াখালীতে গৃহবধূর বিষপানে আত্নহত্যা

নোয়াখালির সোনাইমুড়ি উপজেলার বজরা ইউনিয়নের সাকিন গ্রামের পাটোয়ারি বাড়ির ৪ সন্তানের জননী শিবলা নামে এক গৃহবধূ বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। সে চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর গ্রামের পানা মিয়া হাজী বাড়ীর সেলিমের মেয়ে।

আজ বাদ আছর পোষ্ট মর্টাম শেষে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ৩ টায় শিবলা স্বামী সেলিমের সাথে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা-পয়সা নিয়ে কলহের জেদ ধরে বিষপান করে আত্নহত্যা করে। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বজরা মেডিকেলে ভর্তি করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। তবে শিবলার পিতা সেলিম ও মাতা শাহীন আক্তার বিষয়টিকে হত্যা বলে দাবি করছে। তাদের মতে, শিবলার স্বামী সেলিম প্রায় দেড় মাস পূর্বে বিদেশ থেকে আসে। তার পাঠানো টাকা পয়সার হিসেব না দেয়ায় স্বামী সেলিম পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে শিবলাকে হত্যা করে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।