খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩০ আশ্বিন, ১৪৩৩

আগামী ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসাবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শ্রী রতন শীল

মশিয়ার রহমান
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
আগামী ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসাবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শ্রী রতন শীল

আসছে আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী সম্ভাব্য ইউপি মেম্বার পদপ্রার্থী নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশাচাপানী ইউনিয়নের বাঘেরপুল হাজীপাড়া গ্রামের শ্রী পুনিল শীল এর ছেলে শ্রী রতন শীল। নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি উপজেলার ০৮নং খালিশাচাপানী ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ডে বাসীর সকলের কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।

একটি সুখী-সুন্দর দেশ ও সমাজ নির্মানে সর্বপ্রথম ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্নয়ন প্রয়োজন। ০৮নং খালিশাচাপানী ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সমর্থন ও ভোট দেওয়ার জন্য ওয়ার্ড বাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে ০৮নং ওয়াডের সুবিধা বঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের সেবা করতে চান। ইউপি নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে প্রতিনিয়ত (০৮নং ওয়ার্ডের) প্রতিটি গ্রামের মোড়ে, চায়ের দোকানে ও বিভিন্ন রাস্তাঘাটে ও পাড়া মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন ও দিনরাত ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করছেন। এরি মধ্যে তিনি এলাকায় মুরব্বিদের সাথে কুশল বিনিময় ও নানান সমস্যা নিয়ে তরুনদের সাথে মতবিনিময় করছেন।

প্রতিবেদকের সাথে একান্ত এক সাক্ষা‌ৎকারে তি‌নি জানান, ০৭নং খালিশাচাপানী ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ডকে উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে দারিদ্র মুক্ত, সু-শিক্ষাবান্ধব বৈষম্যহীন আদর্শ গ্রাম হিসাবে গড়ে তুলার নিমিত্তে আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউ‌পি মেম্বার পদে প্রার্থী হ‌চ্ছি। এর জন্য আমি আমার গ্রামের মুরব্বী, ভাই, বন্ধু, মা, বোনসহ ওয়ার্ড বাসীর নিকট দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।

তি‌নি আ‌রও বলেন,০৮নং ওয়ার্ডের সকল বাসিন্দাদের নিকট আমার উদাত্ত আহ্বান, আমাকে আপনাদের সমর্থন দিয়ে আপনাদের সন্তানকে পাশে থেকে ওয়ার্ডবাসী, মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উন্নয়ন ধারাকে বাস্তবায়ন করার সুযোগ দিন।

তিন জীবন সংগ্রামী ব্যক্তির ব্যতিক্রমী উদ্যোগের জন্য সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
তিন জীবন সংগ্রামী ব্যক্তির ব্যতিক্রমী উদ্যোগের জন্য সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি: শিক্ষা ও পরিবেশের উন্নয়নে অবদান রাখা তিন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাদের জীবনসংগ্রাম ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগের কথা শুনে প্রশংসা করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস ।

১৪ অক্টোবর বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎ করা তিন ব্যক্তি হলেন বুয়েট থেকে পড়াশোনা শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ লাগানো রেজাউল কিবরিয়া বাবুল।

এ সময় তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।’

বুয়েট থেকে পড়াশোনা শেষ করে নায়লা শারাফ প্রথমে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। পরে জনতা ব্যাংকেও কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন তিনি। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হলেও সরকারি চাকরিতে যোগ না দিয়ে শিশুদের শিক্ষাদানের পথ বেছে নেন নায়লা।

গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন তিনি। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান সহজ করতে নিজ উদ্যোগে তৈরি করছেন বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় নিজের শিক্ষকতা ও শিশুদের শিক্ষার উন্নয়নে নেওয়া উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন নায়লা।

জন্ম থেকেই দুই হাত নেই নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেনের। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার পথচলায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। পা দিয়ে লেখালেখি শিখে ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় প্রতিষ্ঠা করেন প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল।নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থে গড়ে তোলা বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। শিক্ষক রয়েছেন ১০ জন। পা দিয়েই লেখালেখি করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি।

আলতাফের জীবনসংগ্রাম ও বিদ্যালয় পরিচালনার কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী নতুন স্কুল ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

ভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুলের অনুপ্রেরণার উৎস পরিবেশ ও প্রকৃতি। মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে নিজের অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি।পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে তোলেন বাবুল। পরে সেখান থেকে উৎপাদিত চারা বিভিন্ন এলাকায় রোপণ শুরু করেন। তার লাগানো অনেক গাছ এখন বড় হয়ে পথচারীদের ছায়া দিচ্ছে।

সাক্ষাৎকালে তিনজনের কাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতো মানুষের উদ্যোগ অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।

প্রধানমন্ত্রী তাদের নিজ নিজ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস