খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পাঠ্যবই সরবরাহে সংকট কাটবে কবে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ২:১৮ অপরাহ্ণ
পাঠ্যবই সরবরাহে সংকট কাটবে কবে?

শিক্ষা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে গত ১ জানুয়ারি। তবে এখনও বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পাঠ্যবই পায়নি। এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। কারণ পাঠ্যবই না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে বসানো যাচ্ছে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যবই চলতি জানুয়ারির মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাতে চায় সরকার। এনসিটিবি জানায়, জানুয়ারির মধ্যে পাঠ্যবই সরবরাহ করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে মুদ্রণ মালিকরা বলছেন, চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কতটুকু দেওয়া সম্ভব তা নির্ভর করছে কাগজ ও ছাপা শেষ হওয়ার ওপর। সব পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানোর বিষয়ে গত ১৩ জানুয়ারি শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীরা সব পাঠ্যবই হাতে পাবে’।  এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যবই চলতি জানুয়ারির মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো হবে। আর এ লক্ষ্যে মুদ্রণ মালিকদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। কিন্তু জানুয়ারির মধ্যে সব পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটছে না। মুদ্রণ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেরিতে টেন্ডার আহ্বান করার কারণে মুদ্রণ মালিকদের শত চেষ্টার পরও সরকারের চাহিদা মতো সময়ে পাঠ্যবই সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

যে কারণে পাঠ্যবই সরবরাহে সংকট : প্রথম দফা টেন্ডারের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠ্যবই সরবরাহের জন্য মুদ্রণ মালিকদের শেষ সময় ছিল গত ২১ জানুয়ারি। দ্বিতীয় দফায় মুদ্রণ মালিকদের প্রথম শ্রেণির পাঠ্যবই সরবরাহের শেষ সময় রয়েছে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি। একইভাবে মুদ্রণ মালিকদের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবই সরবরাহের নির্ধারিত সময় ছিল ১৬ জানুয়ারি।

 

প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণি: সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে ২০২৪ সালের ৮ মে, টেন্ডার উন্মুক্ত করা হয় ২০ জুন, নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (নোয়া) দেওয়া হয় ১৪ অক্টোবর। আর চুক্তির শেষ সময় ১১ নভেম্বর এবং বই সরবরাহের সময় দেওয়া ছিল ৭০ দিন। প্রথম ৪০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে শতভাগ বই দেওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী প্রাথমিকের প্রথম টেন্ডারের পাঠ্যবই সরবরাহ করার নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে ২১ জানুয়ারি। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির দ্বিতীয় টেন্ডার আহ্বান করা হয় ১৭ অক্টোবর। টেন্ডার ওপেন করা হয় ২৮ অক্টোবর, নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় ৯ ডিসেম্বর, চুক্তি করার শেষ সময় ২০২৫ সালের ৬ জানুয়ারি। বই সরবরাহের সময় ৪০ দিন। ৫০ শতাংশ প্রথম ২৫ দিনে আর পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে বাকি বই।

 

চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি: টেন্ডার হয় ২৬ সেপ্টেম্বর, টেন্ডার ওপেন করা হয় ৭ অক্টোবর, নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় ৯ ডিসেম্বর। চুক্তির শেষ সময় ২০২৫ সালে ৬ জানুয়ারি। বই সরবরাহের সময় ৪০ দিন। অর্থাৎ সব বই সরবরাহের শেষ সময় ১৬ জানুয়ারি।

 

ষষ্ঠ শ্রেণি: ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের জন্য টেন্ডার হয় ৩০ সেপ্টেম্বর, টেন্ডার ওপেন করা হয় ২০ অক্টোবর, নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় ২৫ নভেম্বর, চুক্তি করার শেষ সময় ২৩ ডিসেম্বর। বই ছেপে সরবরাহের সময় ৪০ দিন। প্রথম ২৫ দিনে ৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী ১৫ দিনে বাকি ৫০ শতাংশ। সেই হিসেবে মুদ্রণ মালিকদের পাঠ্যবই সরবরাহের শেষ সময় ৫ ফেব্রুয়ারি।

 

সপ্তম শ্রেণি: টেন্ডার হয় ২ অক্টোবর, টেন্ডার ওপেন হয় ২০ অক্টোবর আর নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় ২৫ নভেম্বর এবং চুক্তির শেষ সময় ২৩ ডিসেম্বর। বই সরবরাহের সময় ৪০ দিন। প্রথম ২৫ দিনে ৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী ১৫ দিনে বাকি ৫০ শতাংশ। সেই হিসেবে মুদ্রণ মালিকদের বই সরবরাহের শেষ সময় ৫ ফেব্রুয়ারি।

 

অষ্টম শ্রেণি: টেন্ডার হয় ১৬ অক্টোবর, টেন্ডার ওপেন করা হয় ২৮ অক্টোবর, নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় ৯ ডিসেম্বর, চুক্তির শেষ সময় ৬ জানুয়ারি। বই সরবরাহের সময় ৪০ দিন। প্রথম ২৫ দিনে ৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী ১৫ দিনে বাকি ৫০ শতাংশ। সেই হিসেবে মুদ্রণ মালিকদের বই সরবরাহের শেষ সময় ১৬ ফেব্রুয়ারি।

 

নবম শ্রেণি: টেন্ডার হয় ২৪ নভেম্বর, টেন্ডার ওপেন করা করা হয় ৫ ডিসেম্বর, নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় ১৯ ডিসেম্বর, চুক্তির শেষ সময় ১৬ জানুয়ারি। বই সরবরাহের সময় ৪০ দিন। প্রথম ২৫ দিনে ৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী ১৫ দিনে বাকি ৫০ শতাংশ। সেই হিসেবে মুদ্রণ মালিকদের পাঠ্যবই সরবরাহের শেষ সময় ২৬ ফেব্রুয়ারি।

 

দশম শ্রেণি: দশম শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপতে টেন্ডার আহ্বান করা হয় ১৩ নভেম্বর, টেন্ডার ওপেন করা হয় ২৫ নভেম্বর, নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় ১৯ ডিসেম্বর। চুক্তির শেষ সময় ১৬ জানুয়ারি এবং বই সরবরাহের সময় ৪০ দিন। প্রথম ২৫ দিনে ৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী ১৫ দিনে বাকি ৫০ শতাংশ। সেই হিসেবে মুদ্রণ মালিকদের পাঠ্যবই সরবরাহের শেষ সময় ২৬ ফেব্রুয়ারি।

 

বই সরবরাহের সর্বশেষ পরিস্থিতি : রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত প্রি-প্রাইমারির বই পায়নি শিক্ষার্থীরা। বছর শুরুর দিন প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সব বই শিক্ষার্থীরা পেয়েছে। আর ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর বেশির ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চতুর্থ শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিতসহ চারটি বই পেয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বাংলা, ইংরেজি ও গণিতসহ ছয়টি বই পেয়েছে। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বাংলা, ইংরেজি ও গণিত এবং দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বাংলা, ইংরেজি ও গণিতসহ ছয়টি বই পেয়েছে। এছাড়া অন্য ক্লাসের কিছু বই পেয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। কবে নাগাদ বাকি বই পাওয়া যাবে তার নিশ্চয়তা দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানগুলো। ডিসেম্বর মাসে এনসিটিবি জানিয়েছিল, শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথম দিন বই দেওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আর্মি প্রিন্টিং প্রেস থেকে মাধ্যমিকের এক কোটি বই ছেপে নেওয়া হয়েছে ডিপিএম পদ্ধতিতে। তবে নবম ও দশম শ্রেণির বই ছাপার কাজ শুরু করতে হয় ডিসেম্বরের শেষ সময়ে। ফলে শিক্ষার্থীদের হাতে কিছু বই জানুয়ারি শুরুর দিকে দিতে পারলেও সব বই জানুয়ারিতে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন মুদ্রণ মালিকরা।

 

এনসিটিবির বক্তব্য : পাঠ্যবই কবে নাগাদ দেওয়া সম্ভব হবে জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২৫ জানুয়ারি মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির বই যাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। দশম শ্রেণির সব বই চলে যাবে ২৭-২৮ জানুয়ারির মধ্যে। তাহলে তো ৫০ শতাংশ বই চলে গেলো। বাকি বইগুলো পরবর্তী ১৫-২০ দিনের মধ্যে চলে যাবে।

 

সরবরাহ করা হবে ৪০ কোটি বই : এনসিটিবি জানায়, এবার মোট বইয়ের সংখ্যা ৪০ কোটির মতো। এর মধ্যে মাদ্রাসার এবতেদায়ি এবং মাধ্যমিক স্তরের জন্য প্রায় দুই কোটি ৩১ লাখ এবং প্রাথমিক স্তরের জন্য ৯ কোটির বেশি। ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমে (২০১৩ সাল থেকে পাঠ্যবই) ফেরত যাওয়ায় মাধ্যমিকের বইয়ের সংখ্যা এবার বেশি। কারণ স্থগিত হওয়া নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থীকে ১৪টি করে বই পড়তে হতো। আর ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ২২টি করে এবং নবম-দশম শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৩৩টি করে বই ছাপতে হতো। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের পড়তে হতো ১৪টি করে পাঠ্যবই। এসব কারণেও পাঠ্যবই পৌঁছানোর ক্ষেত্রে দেরি হচ্ছে।

 

আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

বক্তব্যে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট কমানো এবং সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কংগ্রেসটির আয়োজক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস