খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

‘লাল গালিচা’ বিছানোর ব্যাখ্যা দিল ডিএনসিসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
‘লাল গালিচা’ বিছানোর ব্যাখ্যা দিল ডিএনসিসি

খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘লাল গালিচা’র ব্যবস্থা রাখার ব্যাখ্যা দিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সংস্থাটি বলছে, অতিথিদের নিরাপত্তার জন্য এটি রাখা হয়েছিল। রোববার (০২ জানুয়ারি) ঢাকার মিরপুরে খাল খনন উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের তিন উপদেষ্টা। এদিন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসাইন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লাল গালিচা নিয়ে ব্যাখ্যা দেন। ডিএনসিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকালে মিরপুরে বাউনিয়া খালের প্রান্তে সংস্কার (খনন) কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত তিন উপদেষ্টাসহ অতিথিরা বক্তব্য দেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্কার কাজ উদ্বোধনের জন্য ভাসমান এক্সকাভেটরে ওঠেন।

উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, ভাসমান এক্সকাভেটরে যেতে লাল কার্পেট বিছানোর কারণ কী? এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, যেখানে ভাসমান এক্সকাভেটর রাখা ছিল, তা কোনো স্থায়ী পন্টুন নয়, বরং অস্থায়ী পন্টুনে রাখা ছিল। এ ছাড়া এক্সকাভেটরে ওঠার রাস্তাটি অনেক ঢালু ছিল। তাতে কাদামাটি এবং এক্সকাভেটরের মেঝে পিচ্ছিল থাকায় অতিথিদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য এবং চলাচল এলাকা দৃষ্টিগ্রাহ্য করতে একটি লাল রঙের কার্পেট সদৃশ ম্যাট ব্যবহার করা হয়। ডিএনসিসি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ্য করেছে যে গণমাধ্যমে এসেছে, ‘উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা লাল গালিচায় হেঁটে খালে নামেন এবং ভাসমান এক্সকাভেটরে ওঠে কাজের সূচনা করেন। ’

সংস্থাটি বলছে, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক লাল গালিচা নয়, বরং শুধুমাত্র নিরাপত্তার স্বার্থে রাখা একটি ব্যবস্থা। এতে কোনো ধরনের অপব্যয় বা অতিরিক্ত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল না। যেহেতু ভাসমান এক্সকাভেটরে ওঠা-নামার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ, তাই ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সবসময় স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও জনস্বার্থের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।