খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে চুনারুঘাট মুড়ার বন্দ দরবার শরীফে হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হাফেজ ছাত্রকে পাগড়ি পরিধান ও দোয়া মাহফিল

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:২০ অপরাহ্ণ
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে চুনারুঘাট মুড়ার বন্দ দরবার শরীফে হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হাফেজ ছাত্রকে পাগড়ি পরিধান ও দোয়া মাহফিল

যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা ঐতিহ্য বাহী মুড়ারবন্দ দরবার শরীফ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হাফেজ ছাত্রকে পাগড়ি পরিধান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার মুড়ারবন্দস্থ হযরত সৈয়দ শাহ নাসির উদ্দিন সিপাহসালার মাদনী (রহঃ) হাফিজিয়া মাদ্রাসার কক্ষে প্রতি বছরের ন্যয় এবার ও অত্র হাফিজিয়া মাদ্রাসা আয়োজনে এবং হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও নবীগঞ্জ উপজেলার রাইয়াপুর গ্রামের বড় বাড়ির বাসিন্দা আলহাজ্ব সাহিদুর রহমান চৌধুরী সাফি নিজ অর্থায়নে হাফেজকে পাগড়ি পরিধান। এছাড়া মুড়ারবন্দ জামে মসজিদ ও অত্র হাফিজিয়া মাদ্রাসার সেক্রেটারি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ রাজিব আহমেদ লিমন এর নিজ তহবিল থেকে হাফেজ ও শিক্ষক কে নগদ অর্থ প্রধান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে মুড়ার বন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী পীরজাদা আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহমেদ চিশতী সফি সভাপতিত্বে ও অত্র হাফিজিয়া মাদ্রাসা অধ্যক্ষ এবং জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা নিয়ামত আলী পরিচালনায় মাদ্রাসা অর্ধ শতাধিক ছাত্র, শিক্ষক, দরবার শরীফের খাদেম, অভিভাবকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের আজমিরী শরীফ হযরত খাজা মঈন উদ্দিন চিশতী (রহঃ) দরবার শরীফের খাদেম হাজী ওয়াসিম উদ্দিন চিশতী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন চুনারুঘাট হাজী আলীম উল্লাহ সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ কে এম আফসার আহমদ। এ-সময় বক্তব্য রাখেন মুড়ারবন্দ দরবার শরীফের খাদেম গদ্দিনিশীন পীর নজরুল আহমদ চিশতী, খাদেম গদ্দিনিশীন পীরজাদা সৈয়দ মুরাদ আহমেদ চিশতী, খাদেম সৈয়দ অলি আহমেদ চিশতী প্রমূখ। বক্তব্য শেষে অত্র হাফিজিয়া মাদ্রাসার তিন জন হাফেজ ছাত্রকে পাগাড়ি পরিধান ও নগদ অর্থ প্রধান করা হয়। তারা হলেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরে পূর্ব বাগুনীপাড়া গ্রামের রমিজ আলী ছেলে মোঃ মোঃ সুলতান আলী জীবন, চুনারুঘাট উপজেলার একডালা গ্রামের মোঃ হিরা মিয়া ছেলে মোঃ রাকিবুল হাসান রাহী ও একই উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের আনজব আলী ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া। পাগড়ি ও নগদ অর্থ প্রধান শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন প্রধান অতিথি।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।