খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বনশ্রীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাফিলতি থাকলে আইনের আওতায় আনা হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
বনশ্রীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাফিলতি থাকলে আইনের আওতায় আনা হবে

রাজধানীর বনশ্রীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে সোনা ডাকাতির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাফিলতি থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ৩টা ৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর বারিধারায় নিজ বাসায় দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বনশ্রীতে সোনা ব্যবসায়ীকে গুলি করে সোনা লুট। এ ঘটনায়ও কি আওয়ামী লীগ জড়িত? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দোসররাই বেশি জড়িত। বনশ্রীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাফিলতি থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

শুধু ডেভিল হান্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেন নাকি অন্য হান্ট অপারেশনে যাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চোর-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সব সময় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সর্বোচ্চ চেষ্টার পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। সমস্যা কোথায়? আপনি নির্দেশ দেওয়ার পরেও অপরাধ কেন কমছে না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামীকাল থেকে ডেফিনেন্টলি ইম্প্রুভমেন্ট। এ পর্যন্ত ডেভিল হান্টে যে সাড়ে ৮ হাজার গ্রেফতার করা হলো তারা কারা এবং সারাদেশেই যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে তারা কেন ধরা পড়ছে না? ডেভিল হান্ট অপারেশন শুরুর পর অপরাধ বেড়েই চলছে। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাস কর্মকাণ্ড করছে ডেভিল হান্ট অপারেশনে তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, তবে যে পরিমাণ গ্রেফতার করা উচিত সেই পরিমাণ হয়তো হচ্ছে না। যেমন বাসে ডাকাতির ঘটনায় সাভার থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার চলতে থাকবে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।