খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

সজল জামান, জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতাউর রহমান।(৮ এপ্রিল) মঙ্গলবার দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় তিনি এ জিডি করেন। জিডিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতাউর রহমান উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারি ওয়াল কে বা কারা অল্প অল্প করে ভাংচুর করেছে ।

উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উত্তর পার্শের স্থানীয় বাসিন্দা, মৃত শাহজাহানের ছেলে মো. সুমন মিয়া এবং মো. শাকিল মিয়া, তাঁরা ভাংচুরকৃত উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারি ঘেষে একটি সেপটিক ট্যাংকি স্থাপনের অপকৌশল শুরু করে। পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে উপজেলা অফিস বন্ধ থাকায় সুমন এবং শাকিল মিয়া উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উত্তর পার্শে বাউন্ডারি ঘেষে অবৈধভাবে প্রায় ৪৫ ফুট গভীর সেপটিক ট্যাংকি স্থাপন করে। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে তাঁদের টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকি অপসারণের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলে তাঁরা মানেনি।

জিডিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৮ এপ্রিল বিকেলে মো.খাদেমুল ইসলাম অলিদ (৩৮), মো. খালেদ (৪৫), উভয় পিতা-মৃত দেলোয়ারুল ইসলাম এবং মো. শাকিল মিয়া (৩৫), পিতা-মৃত
শাহজাহান, সর্ব সাং-নির্বাহী এলাকা, আমার সঙ্গে
দেখা করতে আসেন এ সময় আমার অফিসে শামসুজ্জামান আসিফ, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সজল চন্দ্র ভদ্র, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার, এবং মোঃ আবু খায়ের, উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, উপস্থিত ছিলেন। উক্ত কর্মকর্তাগনের সামনে খাদেমুল ইসলাম, খালেদ এবং শাকিল মিয়া আমার সঙ্গে বাউন্ডারি ও সেফটিক ট্যাংকির বিষয়ে আলোচনা করেন। আমি বাউন্ডারি ভাংচুরের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা জানায় যে, স্থানীয় সাধারণ জনগন উপজেলা বাউন্ডারি ওয়াল ভাংচুর করেছে।
তাদেরকে সেফটিক ট্যাংকি অপসারণ এবং ভাংচুরকৃত বাউন্ডারি ওয়াল পুনরায় নির্মাণ করার কথা বললে তাঁরা সেফটিক ট্যাংকি অপসারণ করবে না এবং উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাউন্ডারি পুনঃ নির্মাণ করতে গেলেও বাউন্ডারি করতে দিবেনা বলে জানায়।

জিডিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমার অফিসের উপস্থিত কর্মকর্তাগনের সামনে আমাকে প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করে তাঁরা বলেন,আমি আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গেলে কিভাবে এখানে চাকুরী করি এবং আমার ভবিষ্যত নষ্ট করে দিবেন।

যাদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযোগ করেছেন, তাঁদের বক্তব্য ঢাকার ডাক জানতে পারেনি। এ বিষয়ে জানার জন্য দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে একাধিক বার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।