উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি
প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতাউর রহমান।(৮ এপ্রিল) মঙ্গলবার দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় তিনি এ জিডি করেন। জিডিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতাউর রহমান উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারি ওয়াল কে বা কারা অল্প অল্প করে ভাংচুর করেছে ।
উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উত্তর পার্শের স্থানীয় বাসিন্দা, মৃত শাহজাহানের ছেলে মো. সুমন মিয়া এবং মো. শাকিল মিয়া, তাঁরা ভাংচুরকৃত উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারি ঘেষে একটি সেপটিক ট্যাংকি স্থাপনের অপকৌশল শুরু করে। পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে উপজেলা অফিস বন্ধ থাকায় সুমন এবং শাকিল মিয়া উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উত্তর পার্শে বাউন্ডারি ঘেষে অবৈধভাবে প্রায় ৪৫ ফুট গভীর সেপটিক ট্যাংকি স্থাপন করে। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে তাঁদের টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকি অপসারণের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলে তাঁরা মানেনি।
জিডিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৮ এপ্রিল বিকেলে মো.খাদেমুল ইসলাম অলিদ (৩৮), মো. খালেদ (৪৫), উভয় পিতা-মৃত দেলোয়ারুল ইসলাম এবং মো. শাকিল মিয়া (৩৫), পিতা-মৃত
শাহজাহান, সর্ব সাং-নির্বাহী এলাকা, আমার সঙ্গে
দেখা করতে আসেন এ সময় আমার অফিসে শামসুজ্জামান আসিফ, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সজল চন্দ্র ভদ্র, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার, এবং মোঃ আবু খায়ের, উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, উপস্থিত ছিলেন। উক্ত কর্মকর্তাগনের সামনে খাদেমুল ইসলাম, খালেদ এবং শাকিল মিয়া আমার সঙ্গে বাউন্ডারি ও সেফটিক ট্যাংকির বিষয়ে আলোচনা করেন। আমি বাউন্ডারি ভাংচুরের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা জানায় যে, স্থানীয় সাধারণ জনগন উপজেলা বাউন্ডারি ওয়াল ভাংচুর করেছে।
তাদেরকে সেফটিক ট্যাংকি অপসারণ এবং ভাংচুরকৃত বাউন্ডারি ওয়াল পুনরায় নির্মাণ করার কথা বললে তাঁরা সেফটিক ট্যাংকি অপসারণ করবে না এবং উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাউন্ডারি পুনঃ নির্মাণ করতে গেলেও বাউন্ডারি করতে দিবেনা বলে জানায়।
জিডিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমার অফিসের উপস্থিত কর্মকর্তাগনের সামনে আমাকে প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করে তাঁরা বলেন,আমি আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গেলে কিভাবে এখানে চাকুরী করি এবং আমার ভবিষ্যত নষ্ট করে দিবেন।
যাদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযোগ করেছেন, তাঁদের বক্তব্য ঢাকার ডাক জানতে পারেনি। এ বিষয়ে জানার জন্য দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে একাধিক বার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন