খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শায়েস্তাগঞ্জে নিরাপদ মহাসড়ক ব্যবস্থাপনা দুর্ঘটনা প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মো শহীদুল ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫, ১:৪২ অপরাহ্ণ
শায়েস্তাগঞ্জে নিরাপদ মহাসড়ক ব্যবস্থাপনা দুর্ঘটনা প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার আয়োজনে নিরাপদ মহাসড়ক ব্যবস্থাপনা ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকেল ৫ টায় হাইওয়ে থানা প্রাঙ্গনে আয়োজিত এই সভায় মহাসড়ক দুর্ঘটনা কমাতে বিভিন্ন গাড়ি চালক-হেলপার, যাত্রী ও পথচারী সহ সকলের সচেতনতা উপর জোর দেওয়া হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশের সিলেট রিজিওন এর পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম। প্রধান অতিথি রেজাউল করিম বক্তব্য বলেন মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক-হেলপার, যাত্রী ও পথচারী সহ সকলের পক্ষে সচেতনতা প্রয়োজন। প্রত্যেকটি গাড়ি নিয়ম মেনে মহাসড়কে চলবে। সবাই যখন নিয়ম মানবেন, তখন মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা থাকবে না।

আমরা একটি নিরাপদ মহাসড়ক উপহার দিতে পারবো। তিনি আরো বলেন, অনিয়ন্ত্রিত ভাবে গাড়ি চালালে মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। অবৈধ যানবাহন যেমন গ্রীন লাইন, বিলাস, নাবানা, বাস, মিনিবাস, কাভার্ড ভ্যান, মেক্সি, ট্রাক, পিক-আপ, ডায়না, ড্রাম ট্রাক, নোহা, হাইএক্স, কার, অটোরিকশা সিএনজি সহ বিভিন্ন গাড়ি প্রায় ২০ বছরের বেশি পুরনো মহাসড়কে চলাচল করতে পারবে না। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যেই শেরপুর হাইওয়ে থানায় এমন একটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে এবং মহাসড়কে এই ধরনের যানবাহন পেলেই সেগুলো জব্দ করা হবে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানায়। এই অভিযান চলমান থাকবে এছাড়া শায়েস্তাগঞ্জে অলিপুর, শায়েস্তাগঞ্জ গোলচক্কর সহ বিভিন্ন স্থানে মহাসড়ক উভয় পাশে ভেঙের ছাতার মতো অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। সেই অবৈধ স্থাপনা সহ দোকান পাঠ উচ্ছেদ অভিযান দ্রুত শুরু হবে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে কোনো গায়ের শক্তি দিয়ে ক্ষমতা দাপট এবং কোনো তদবির করে চলবে না। তিনি মনে করেন মহাসড়কে ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং যত্রতত্র পারাপার বন্ধ করতে পারলেই মহাসড়কে অনেক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব হবে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হাইওয়ে সিলেট রিজিওন এর সহকারী পুলিশ সুপার মির্জা মোঃ সাইজুদ্দিন। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং হাইওয়ে থানার এসআই (নিঃ) নজরুল ইসলাম ও ট্রাফিক সার্জেন মুহশিউর রহমান সহ থানার পুলিশ সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়। ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন জনগণের সহযোগিতা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা কঠিন। আমাদের এই প্রচেষ্টা সচেতনতার মাধ্যমে আরও এগিয়ে নিতে চাই। সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন শায়েস্তাগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল, জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ আহমেদ চৌধুরী ছায়েদ, মেক্সি মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ, গ্রীন লাইন এর সুপার ভাইজার আব্দুল্লাহ পারভেজ, মোঃ সেলিম মিয়া, আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হক রেনু সহ স্থানীয় চালক, পরিবহন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম কর্মীরা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত সকলেই মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইন প্রয়োগ আর-ও জোরদার করার আহবান জানান। সভার শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মহসিন মিয়া।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।