খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জামালপুরে ৭৪ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার 

সজল জামান, জামালপুর প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫, ৪:১০ অপরাহ্ণ
জামালপুরে ৭৪ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার 
জামালপুরের মেলান্দহে ৭৪ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জামালপুর ডিবি পুলিশ। ৭৪ কেজি গাঁজার আনুমানিক মূল্য ২২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো.সোহেল মাহমুদ পিপিএম।
মঙ্গলবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি টিম মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের রায়ের বাকাই এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৭৪ কেজি গাঁজাসহ সুজেদা নামের এই নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী সুজেদা বেগম (৩৮), তিনি জেলার মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের রায়ের বাকাই গ্রামের বেলাল মিয়ার স্ত্রী।
গ্রেফতারকৃত আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনাস্থল থেকে ৪টি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তায় স্কচটেপ মোড়ানো মোট ২৮টি প্যাডি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ৭৪ কেজি এবং অনুমানিক বাজারমূল্য ২২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। এ সময় স্থানীয় দু’জন স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে মাদকদ্রব্য ডিজিটাল স্কেলে মেপে জব্দ করা হয়।
জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুস সাকিব বলেন, জামালপুর জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছে। জেলা গোয়েন্দা শাখার এই সফল অভিযান জামালপুর জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সোহেল মাহমুদ পিপিএম বলেন,  জামালপুর জেলা পুলিশের ইতিহাসে এটা সর্ববৃহৎ মাদকের চালান। তিনি বলেন, আমরা জানতে পারি মাদকের একটি বড় চালান জামালপুর জেলায় প্রবেশ করবে এরই ধারাবাহিকতায় জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম কাজ করে। গ্রেফতারকৃত সুজেদা বেগমের স্বামী বেলাল ও তার দেবর দুলাল এই নেটওয়ার্কের সাথে জড়িত। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং যারা পলাতক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।