খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এলাকায় হাইওয়ে থানার অধীনে দুটি পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন ২৪ আগষ্ট

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এলাকায় হাইওয়ে থানার অধীনে দুটি পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন ২৪ আগষ্ট

আগামী ২৪ আগষ্ট হাইওয়ে থানা পুলিশ অধীনে এবং হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক অলিপুর এলাকায় একই ছাদের নিচে পুলিশের দু’টি ক্যাম্প আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম শিল্প এলাকা হবিগঞ্জের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় অলিপুর। এ উপজেলার ব্রামণডুরা ইউনিয়নে অলিপুর এলাকায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একটি ইউনিটের চাহিদা ছিল দীর্ঘ দিনের। অবশেষে উপজেলার অলিপুর বাসীর প্রাণের দাবি পূরণ হচ্ছে হাইওয়ে পুলিশের সিলেট রিজিওনের পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম এর দূরদর্শী পরিকল্পনায়। সিলেট ঢাকা মহাসড়কের হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বেশ কিছু নতুন ও পুরনো শিল্প এলাকা গড়ে উঠে।

এই মহাসড়কে মাধবপুর এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার দুই পাশ ঘেঁষে রয়েছে দেশের একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান। সিলেট বিভাগে একমাত্র প্রবেশ পথ হওয়ায় প্রতিদিন এই মহাসড়কে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অলিপুর কেন্দ্রিক নিয়মিত যানজট, সড়ক দুর্ঘটনা এবং চুরি ছিনতাই ছিল নিত্য দিনের ঘটনা এছাড়া উক্ত এলাকায় অবস্থিত হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক (প্রাণআরএফএল গ্রুপ) স্কয়ার ডেনিশ, বাদশা গ্রুপ, স্টার সিরামিক, নেরোলোক পেইন্ট, আকিজ গ্রুপ, সায়হাম গ্রুপ, যমুনা গ্রুপ, বিএইচএল, ম্যাটাডোর ও তাপ্রিড কটন।

প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক কর্মী কাজ করে ওই শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলোতে। এর মধ্যে প্রাণ আর এফ এল কর্মী প্রায় দিবারাত্রি প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক কাজ করে। চলতি জুলাই মাস পর্যন্ত অলিপুর ছিল অর্ধ শতাধিক অবৈধ দখলদারদের আনাগোনা একটি বস্তির মত এলাকা। সেখানে মাত্র ৩৭ দিনের ব্যবধানে তৈরি হয়েছে অনিন্দ্য সুন্দর পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনা। এ স্থাপনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা, এসআই নজরুল ইসলাম সহ সকল পুলিশ সদস্য।

এ স্থাপনা বাস্তবতায় মালিক ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার মৌলিক অধিকার। তারা এই পুলিশ স্থাপনা কে দেখছেন একটি বিরল ঘটনা হিসেবে। স্থানীয়রা বলেন এই স্থাপনার মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ও কর্মকান্ড। এ প্রসঙ্গে হাইওয়ে পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বলেন শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা অধীনে ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় পুলিশের দু’টি ক্যাম্প আগামী ২৪ আগষ্ট আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করবে।

সম্পূর্ণ বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় শিল্প মালিক, পরিবহন মালিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় এই দৃষ্টি নন্দন পুলিশ স্থাপনাটি তৈরির কাজে উৎসাহ দেয়ার জন্য হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়া এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসিম উদ্দিনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।