খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রবাসে ব্যবসায়িক টাকা নিয়ে প্রতারণা, শায়েস্তাগঞ্জে থানায় অভিযোগ দায়ের

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
প্রবাসে ব্যবসায়িক টাকা নিয়ে প্রতারণা, শায়েস্তাগঞ্জে থানায় অভিযোগ দায়ের

প্রবাসে অংশীদারিত্বে ব্যবসা করার নামে এক প্রবাসীর কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে আত্মসাৎ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নে দক্ষিণ নরপতি এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোহাম্মদ বাবরুল হাসান তালুকদার শায়েস্তাগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় , শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরে বিরামচর গ্রামের বাসিন্দা মৃত-আঃ হাই তালুকদার এর ছেলে বাবরুল হাসান (৫৪) ।

অপর দিকে অভিযুক্ত চুনারুঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নে দক্ষিণ নরপতি গ্রামের মৃত হাজী ইছাদ উল্যা ছেলে আবু লেইছ ( ৫০)। বাদী – মোহাম্মদ বাবরুল হাসান তালুকদার জানান , দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে দুবাই ও আবুধাবিতে অবস্থান করতেন । প্রায় ১০ বছর আগে প্রবাসে তাঁদের মধ্যে পরিচয় হয় ।

পরবর্তীতে ২০২১ সালে তারা যৌথভাবে প্রজেক্টের একটি ব্যবসা শুরু করেন । ব্যবসা পরিচালনার জন্য বিবাদী আবু লেইছ বিভিন্ন ধাপে মোহাম্মদ বাবরুল হাসান তালুকদার কাছ থেকে মোট ৫১ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে টাকা গ্রহণের পর বিবাদী কাজ শেষ না করেই ২০২৩ সালে ২৩ আগস্ট দেশে ফিরে আসেন। পরে প্রজেক্টের কাজ একা চালাতে গিয়ে বাদী প্রায় ৭৮ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েন ।

যার অর্ধেক ৩৯ লাখ টাকা বিবাদীর দায় হিসাবে দাবি করেন । নগদ গৃহীত অর্থ সহ মোট ৯০ লাখ টাকা তিনি বিবাদীর কাছ থেকে পাওনা রয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন । দেশে ফিরে গত ১৯ অক্টোবর বাদী বিবাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে বিবাদী আবু লেইছ নানা অজুহাত দেখিয়ে টালবাহানা শুরু করেন । পরে ২৪ অক্টোবর দুপুর ২ টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় পুরান বাজার এলাকায় হঠাৎ দেখা হলে পাওনা টাকা চাওয়া হলে বিবাদী আবু লেইছ টাকা দিতে অস্বীকার করেন এবং বাদীকে ভয়ভীতি প্রাণ নাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে ।

মোহাম্মদ বাবরুল হাসান তালুকদার জানান , এ বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করার পরও সমাধান না হওয়ায় তিনি শায়েস্তাগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলীপ কান্ত নাথ বলেন অভিযোগটি পেয়েছি বিষয় টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।