খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তারেক রহমানের সঙ্গে যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যানসহ গ্রুপ পরিচালকদের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সঙ্গে যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যানসহ গ্রুপ পরিচালকদের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম -ফাইল ছবি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামসহ গ্রুপ পরিচালকরা। সোমবার রাত ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাদের মধ্যে এই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও যুগান্তর প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম ইসলাম, গ্রুপ পরিচালক সোনিয়া সারিয়াত, মনিকা নাজনীন ইসলাম, সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম, মেহনাজ ইসলাম ও এসএম আব্দুল ওয়াদুদ।

সাক্ষাৎকালে প্রথমে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে যমুনা গ্রুপের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশসহ জিয়া পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।  এছাড়া দেশের জন্য খালেদা জিয়ার গৌরবময় দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অসামান্য অবদান তুলে ধরে কথা বলেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যমুনা গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের স্মৃতিচারণ করে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি জানান, দেশের শিল্পোন্নয়নে নুরুল ইসলামের ব্যাপক অবদান রয়েছে। তিনি যমুনা গ্রুপের ব্যবসা-বাণিজ্যের খোঁজখবরও নেন। এছাড়া চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে যমুনা গ্রুপের মিডিয়া দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

আধা-ঘণ্টাব্যাপী এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার এবং সাবেক সচিব ও যমুনা গ্রুপের পরিচালক (ল্যান্ড অপারেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন) আব্দুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।