খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কোনাবাড়ীতে ক্রয়কৃত জমি দখলমুক্ত করতে ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
কোনাবাড়ীতে ক্রয়কৃত জমি দখলমুক্ত করতে ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে ক্রয়কৃত জমি দখলমুক্ত করতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কোনাবাড়ী মেট্রো থানা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক রায়হান হোসেন হৃদয়।

বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৫ টায় কোনাবাড়ী আমবাগের তেঁতুলতলা মোড়ে তার নিজ কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন।এসময় ভুক্তভোগী রায়হান হোসেন হৃদয় বলেন ২০২৪ ইং সালের ডিসেম্বর মাসে মোঃ রাইজুদ্দিন,মোঃ তাইজুদ্দিন,ছাহেরা,কমলা গণদেের কাছ থেকে ১২ শতাংশ জমি দলিলমূলে ক্রয়কৃত জমি কবলা নিই।

কিন্তু সেই সময় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের প্রভাব খাটিয়ে হান্নান,ফজলু,আব্দুস সালাম মিন্টু,সাইদুল ইসলামগংরা স্থানীয় রফিকুল ইসলাম রফিক এবং রুবেল সরকার নিলয়কে সাথে নিয়ে জোরপূর্বক ওই জমিতে বাসা-বাড়ী করে ভাড়া দেয় এবং আমাকে জমিতে দখলে যেতে দেয়নি।

বরং তারা জমিতে গেলে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়।পরে একাধিকবার কোনাবাড়ী মেট্রো থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে সমাধানের জন্য অভিযুক্ত হান্নাকে বারবার ওসি সাহেব বললেও অভিযুক্তরা সাড়া দেননি।এবং স্থানীয়ভাবে কয়েকবার দেনদরবার বা শালিসের তারিখ নির্ধারণ করলেও তারা সমাধানের জন্য বসতে রাজি হননি এবং শালিশের মাতাব্বরগণ আমাকে আমার ক্রয়কৃত জমি বুঝিয়ে দিতে বললেও তারা এখন পর্যন্ত জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেনা।

এমতাবস্থায় গত ১১ এপ্রিল-২০২৬ শনিবার আমার ক্রয়কৃত নিজ জমিতে দেখার জন্য গেলে রফিক এবং রুবেল আমার ওপর আক্রমন চালিয়ে অতর্কিত হামলা করে ওই বাড়িতে নিজেরাই ভাঙচোর করে আমার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে এবং বিভিন্ন মিডিয়াতে অপপ্রচার করে।ফলে আমি নির্যাতনের শিকার হই এবং মানহানির শিকার হই।

এসময় তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি সঠিক ভাবে তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার ও তার ক্রয়কৃত জমি ফিরে পেতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি সুষ্ঠু বিচার কামনা করেন তিনি।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।