খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও গবেষণা উপদেষ্টা চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ড. মাহাদী আমিন

আলমগীর বাবু, চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও গবেষণা উপদেষ্টা চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ড. মাহাদী আমিন

চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ড. মাহাদী আমিন দেশের শিক্ষা, গবেষণা ও নীতি-নির্ধারণী অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। সম্প্রতি তিনি জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন।

জানা যায়, ড. মাহাদী আমিন যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর প্রসেস এক্সেলেন্স অ্যান্ড ইনোভেশনে তথ্য-প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বিষয়ে শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক থিঙ্কট্যাঙ্ক ‘বাংলাদেশ পলিসি ফোরাম, ক্যামব্রিজ’-এর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান যেমন আইবিএম, ব্রিটিশ টেলিকম, জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার, ওয়েস্টফিল্ড এবং লন্ডন ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি নীতি-নির্ধারণী কর্মকাণ্ডেও তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নীতিমালা নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন ড. মাহাদী আমিন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জনের পাশাপাশি তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

তার শিক্ষাগত ও পেশাগত সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছে। অনুপ্রেরণামূলক জীবনগাঁথা ও অর্জনকে তুলে ধরে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হিসেবে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালন করছেন।

চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার ১২ নম্বর চান্দ্রা ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সন্তান ড. মাহাদী আমিনের এ সাফল্যে এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, তার অর্জন নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা, গবেষণা ও নেতৃত্বের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।