খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের এ প্লাস ক্যাম্পিং উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের এ প্লাস ক্যাম্পিং উদ্বোধন

একটি শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে খুলনা মহানগরীতে জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

খুলনা মহানগরী এলাকায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়েছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কেসিসি পরিচালিত খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে একটি শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে মহানগরীতে জাতীয় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সরকার গুরুত্বপূর্ণ এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি শিশুরা হাম ও রুবেলায় আক্রান্ত হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দ্রুততার সাথে শিশুদের টিকার আওতায় এনেছেন। শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে তিনি প্রতিটি শিশুকে ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য মায়েদের প্রতি আহবান জানান এবং মহানগরীর একটি শিশুও যেন এ ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন।

কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, রোগতত্ত্বের বিভাগীয় সহকারী পরিচালক অর্পণা বিশ^াস, কেসিসি’র সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজা খানম, কেসিসি’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরান, খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো: শহিদুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা-খুলনার উপপরিচালক মো: আকিব উদ্দিন, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সমন্বয়কারী ডা. মো: আরিফুর রহমান, থানা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: শাহজাহান, ইউনিসেফ-খুলনার ইপিআই স্পেশালিস্ট তাপস কুমার বিশ^াস ও বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার সার্ভিল্যান্স ইমুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার নাজমুর রহমান সজিব। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুল শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশে ভূমিকা রাখে।

নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডকে ৪টি জোনে বিভক্ত করে সর্বমোট ৬’শ ৩০টি কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়া ৮০টি মোবাইল টিমও এ কাজে নিয়োজিত থাকবে। ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১২ হাজার ৩’শ ৩৭ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৯৬ হাজার ৬’শ ৫৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচি সফল করতে ৬২জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে ১ হাজার ৪’শ ২০ জন ভলান্টিয়ার নিয়োজিত রয়েছে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।