খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আহত রুয়েট শিক্ষার্থীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় প্রেরণ

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
আহত রুয়েট শিক্ষার্থীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় প্রেরণ

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এর শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আহত শিক্ষার্থীর নাম রাফিদ শাহরিয়ার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থী।

জানা যায়,গত বুধবার রাতে রাজশাহী নগরীর বিনোদপুর বাজারে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান রাফিদ। এতে তার মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধে। বর্তমানে তিনি সংকটাপন্ন অবস্থায় কোমায় রয়েছেন। প্রথমে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার সম্ভব না হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন।

বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার সকালে রুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডঃমোঃআখতার হোসেন, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডঃরবিউল ইসলাম সরকার এবং সহকারী পরিচালক মোঃআবু ইসমাইল সিদ্দিকী সাইফ রামেক হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসার খোঁজ নেন ও হাসপাতালের পরিচালকসহ চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেন।

পরে রুয়েট প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে আড়াই লাখ টাকা সংগ্রহ করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে এবং বৃহস্পতিবারই তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে প্রেরণ করে।

আহত শিক্ষার্থী রাফিদের দ্রুত সুস্থতার জন্য রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ডঃএস এম আব্দুর রাজ্জাক রুয়েট পরিবারসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও সকলের নিকট দোয়া কামনা করা হয়েছে।

এদিকে রাফিদের চিকিৎসার জন্য রুয়েট প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে চিকিৎসা তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।