খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসায় মানবিক স্পর্শ: ডাঃ শৈলী আক্তার তন্বী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসায় মানবিক স্পর্শ: ডাঃ শৈলী আক্তার তন্বী

নিউজ ডেস্ক: মানব সেবার মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে চিকিৎসা পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন ডাঃ শৈলী আক্তার তন্বী। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবায় কাজ করার স্বপ্ন লালন করতেন তিনি। মানুষের কষ্ট লাঘব এবং সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার প্রত্যয় থেকেই তিনি চিকিৎসা পেশাকে বেছে নেন। বিশেষ করে মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে কাজ করার গভীর আগ্রহ তাঁকেএকজন ডেন্টাল চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে অনুপ্রাণিত করেছে।

ডাঃ শৈলী আক্তার তন্বী ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন এবং সেখানেই পরিবারের সান্নিধ্যে বেড়েওঠেন। তিনি বনানী বিদ্যানিকেতন থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকশিক্ষাসম্পন্ন করার পর ক্যাম্ব্রিয়ান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব ডেন্টালসার্জারি (বিডিএস) ডিগ্রি অর্জন করেন, যা ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। শিক্ষাজীবনেরপ্রতিটি ধাপে তিনি মেধা, অধ্যবসায় ও দায়িত্ব শীলতার স্বাক্ষর রেখেছেন, যা পরবর্তীকালে তাঁর পেশাগত জীবনের সাফল্যের দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেছে।

বিডিএস ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং (পিজিটি) সম্পন্নকরেন। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) নিবন্ধিত একজন ডেন্টাল সার্জন (রেজি. নং: ১০৮০৮)। আধুনিক দন্তচিকিৎসায় দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং রোগীদের প্রতি আন্তরিক সেবা মনোভাবের সমন্বয়ে তিনিএকজন বিশ্বস্ত ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে চলেছেন।

বর্তমান সময়ে দাঁতের রোগ ও মুখ গহ্বরের বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু অনেকেই সচেতনতার অভাবে সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করেন না। ডাঃতন্বী মনে করেন, সুস্থ দাঁত শুধু সুন্দর হাসির জন্য নয়, বরংএকটি সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী জীবনের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি দাঁতের সঠিক পরিচর্যা ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

পেশা জীবনের শুরু থেকেই তিনি দাঁতের চিকিৎসাকে শুধু একটি পেশা হিসেবে নয়, বরংমানব সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন। রোগীদের প্রতি আন্তরিকতা, সহমর্মিতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে আস্থা ও সুনাম অর্জন করেছেন। তাঁর চেম্বারে আসা রোগীরা শুধু চিকিৎসাই পাননা, বরং পান প্রয়োজনীয় পরামর্শ, মানসিক সাহস এবং আন্তরিক সহযোগিতা। ফলে অনেক রোগীই চিকিৎসা গ্রহণের পর পুনরায় তাঁর শরণাপন্ন হন এবং আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদেরও তাঁর কাছে চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেন।

ডাঃতন্বীর বিশ্বাস, একজন চিকিৎসকের প্রকৃত পরিচয় বিজ্ঞাপনে নয়, বরং রোগীর সন্তুষ্টি ও সুস্থতায়। তাই তিনি প্রচারণার চেয়ে সেবার মান উন্নয়নের ওপর অধিক গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, একজন রোগী যদি সঠিক ও মানসম্পন্ন চিকিৎসা পান, তবে সেই রোগীই একজন চিকিৎসকের সবচেয়ে বড় শুভাকাঙ্খী এবং তাঁর কাজের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি।

রোগীদের আধুনিক ও মানসম্মত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন“ওরাল এন্ড টুথ কেয়ার”। প্রতিষ্ঠানের মূলপ্রতিপাদ্য “সাধ্যের মধ্যে উন্নত দাঁতের চিকিৎসা”। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত যন্ত্র পাতির সমন্বয়ে এখানে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত, নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। রোগীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ওরাল এন্ড টুথ কেয়ারে দাঁত তোলা ও দাঁতবাঁধানো, পোরসিলিন, মেটালিক ও জিরকোনিয়ামক্যাপ, ফিক্সড ব্রিজের মাধ্যমে হারানো দাঁতেরপুনঃস্থাপন, আল্ট্রাসনিক স্কেলিং ও পলিশিং, টুথ হোয়াইটেনিং, দাঁতের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন ধরনের ফিলিং এবং ডেন্টাল ইমপ্লান্টসহ আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসার প্রায় সব ধরনের সেবা প্রদান করা হয়। এছাড়া ওমহিলা, শিশু ও প্রতিবন্ধী রোগীদের জন্য বিশেষ যত্ন ও সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক।

একজন চিকিৎসক হিসেবে ডাঃ শৈলী আক্তার তন্বীর সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর সততা, পেশাগত দক্ষতা এবং রোগীদের প্রতিগভীর দায়িত্ববোধ। তিনি বিশ্বাস করেন, চিকিৎসা শুধু রোগ নিরাময়ের বিষয় নয়; এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ব পালনের এক মহৎ অঙ্গীকার।

সততা, দক্ষতা এবং মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে ডাঃ শৈলী আক্তার তন্বী প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের মুখে সুস্থতার হাসি ফিরিয়ে দেওয়ার নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ, পেশাগত নিষ্ঠা এবং সেবামূলক মনোভাবনিঃসন্দেহে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসার পাশাপাশি মানবিক স্পর্শের যে অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, তা তাঁকে রোগীদের কাছে একজন আস্থাভাজন চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

চেম্বার: ওরাল এন্ড টুথ কেয়ার: এস.আর. মঞ্জিল, চ-৬৩/৪ (নীচতলা), উত্তরবাড্ডা, হোসেন মার্কেটের বিপরীতে (কুয়েতিমসজিদেরকর্নারে), ঢাকা-১২১২।

রোগী দেখারসময়: প্রতিদিনসকাল ১০টা-১টা এবং বিকাল ৫টা-রাত ১০টা। মোবাইল: ০১৬৭৫-৮০০৭৫০

 

 

 

 

 

আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

বক্তব্যে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট কমানো এবং সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কংগ্রেসটির আয়োজক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস