খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহীতে দেড় কেজি হেরোইনসহ যুবক গ্রেফতার, বাজারমূল্য দেড় কোটি টাকা

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে দেড় কেজি হেরোইনসহ যুবক গ্রেফতার, বাজারমূল্য দেড় কোটি টাকা

রাজশাহীতে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম হেরোইনসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, রাজশাহী। উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

আটককৃত ব্যক্তির নাম মো: ইকবাল হাসান (২৪)। তিনি রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার রামজীবনপুর গ্রামের মোঃ সাইদুল ইসলামের ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গত ২১ জুলাই ২০২৬, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোদাগাড়ী মডেল থানাধীন দেওপাড়া ইউনিয়নের সারইল গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীগামী কর্ণফুলি (মহানন্দা স্পেশাল) বাসে তল্লাশি চালানো হয়।

বাসটি সারইল গ্রামে জনৈক বাদশা মিয়ার বাড়ির দক্ষিণ পাশে মহাসড়কের ওপর পৌঁছালে থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। বাসের সর্ব পিছনের ৫ সিটের মাঝের সিটে বসা ইকবাল হাসানের কাছে থাকা একটি অ্যাশ রঙের স্কুল ব্যাগ থেকে হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কাপড়ে মোড়ানো ও স্কচটেপ দিয়ে প্যাঁচানো ১৫টি স্বচ্ছ পলিথিন প্যাকেটে হেরোইন রাখা ছিল। প্রতিটি প্যাকেটে ১০০ গ্রাম করে মোট ১ কেজি ৫০০ গ্রাম বাদামী রঙের হেরোইন পাওয়া যায়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি Samsung Galaxy A16 অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ৮(গ) ও ৪১ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, রাজশাহী জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এই মাদক চালানের মূলহোতা গডফাদারকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।