খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাধবপুরের ব্যবসায়ীর ১৪ গরুসহ পিকআপ ছিনতাই, দুই দিনেও উদ্ধার হয়নি

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
মাধবপুরের ব্যবসায়ীর ১৪ গরুসহ পিকআপ ছিনতাই, দুই দিনেও উদ্ধার হয়নি

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায় ১৪টি গরুবোঝাই একটি পিকআপ ছিনতাইয়ের দুই দিন পার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি ছিনতাই হওয়া গাড়ি ও গরু। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মারধর করে জিম্মি করে নগদ ২ লাখ ৪ হাজার টাকা ও পাঁচটি মোবাইল ফোনও নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জের শানখোলা সড়কের মোড় এলাকায়। ঘটনাস্থলের প্রায় এক কিলোমিটার পূর্বে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা এবং পশ্চিম পাশে শায়েস্তাগঞ্জ থানা অবস্থিত।
ভুক্তভোগী গরু ব্যবসায়ী জোবায়ের আহমেদ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের শিমুলঘর গ্রামের আব্বাস মিয়ার ছেলে। তিনি জানান, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে গরুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু এত বড় ছিনতাইয়ের ঘটনার শিকার আগে কখনো হননি।
জোবায়ের আহমেদ বলেন, শনিবার রাতে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার জাফলং বাজার থেকে ১৪টি গরু কিনে একটি পিকআপযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে শায়েস্তাগঞ্জের শানখোলা সড়কের মোড়ে পৌঁছালে একটি ড্রাম ট্রাক দিয়ে তাদের গাড়ির গতিরোধ করা হয়। এরপর ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী দল তাদের মারধর করে জিম্মি করে। একপর্যায়ে গরুবোঝাই পিকআপ, ১৪টি গরু, নগদ ২ লাখ ৪ হাজার টাকা এবং পাঁচটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
ঘটনার দুই দিন অতিবাহিত হলেও ছিনতাই হওয়া গরু ও পিকআপ উদ্ধার না হওয়ায় চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা। দ্রুত ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করে মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, “ভুক্তভোগীকে সুস্পষ্টভাবে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু এরপর তিনি আর থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। এমনকি গরু কেনার রশিদও দেখাতে পারেননি। লিখিত অভিযোগ ছাড়া আমাদের পক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা কঠিন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।