খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৯ সালে ইন্সপেক্টরে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জের চেয়ার ভাগ্যে জোটে ২৫ সালে

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
১৯ সালে ইন্সপেক্টরে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জের চেয়ার ভাগ্যে জোটে ২৫ সালে

মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম-কে জুলাই ২০২৬ মাসে সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিললুর রহমান তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রেষ্ঠ অফিসার ঘোষণা দিয়ে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখায় তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন
রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় সূত্র।।
এ অর্জনে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ ও মডেল থানার সদস্যদের মধ্যে আনন্দময় পরিবেশের পাশাপাশি বেড়েছে কাজের গতি।

তবে এ বিষয়ে বিভাগের শ্রেষ্ঠ হওয়ার পর ওসি সাইফুল ইসলামের সাথে কথা হয় মোঠোফোনে
এ সময় তিনি ২০১৯ সালে ইন্সপেক্টর হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন কিন্তু পাননি ও শিগিরই বিগত সময়ে এমনটাই করেন উক্তি। সাড়ে উক্তিতে স্পষ্ট হয় বিগত সময়ে কোন না কোন ভাবে ছিলেন ন্যায্যতা বঞ্চিত।
বলেন, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সামান্য দিনের জন্যমৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি তদন্ত হিসাবে দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমান সরকারের সময়ে প্রথম দায়িত্ব পান অফিসার ইনচার্জ হিসাবে এবং কর্মস্থল মৌলভীবাজার মডেল থানা।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করে মো: সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন ২০১১ সালেনসাব ইন্সপেক্টর সহকারী পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে।
তার চাকুরি জীবনে শুরু হয় ময়মনসিংহের নান্দাইল মডেল থানা থেকে ৷

প্রথম একজন অফিসার ইনচার্জ তার দায়িত্ব পালনে যথেষ্ট পরিমাণ সততা নিষ্ঠা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একে অপরের সাংঘর্ষিক কর্মসূচি এড়িয়ে রাখা। বিশেষ করে চলমান মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি। ক্লুলেস মামলার মোটিভ অনুসন্ধান ও অপরাধী সনাক্ত করণ সহ ওয়ারেন্টভুক্ত এবং নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতার।
মৌলভীবাজার মডেল থানা সদর উপজেলায় হলেও হলেও জেলা সদরের থানা হওয়ায় চাপ অনেক বেশি।
সেই জেলা সদরের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী
মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছেন ও অভিযান অব্যাহত রেখেছেন ওসি সাইফুল ইসলাম।

ওসি সাইফুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলার কাটিয়াদী ঊপজেলায়। এটি জেলার অত্যন্ত পরিচিত ও ঐতিহাসিক। রথের মেলার জন্য বিখ্যাত ঐ এলাকা।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।