খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে ধাওয়া খেয়ে পালালো মাদক কারবারিরা, পুলিশ পেলো গাঁজা, ফেনসিডিল আর নোহা

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে ধাওয়া খেয়ে পালালো মাদক  কারবারিরা, পুলিশ পেলো গাঁজা, ফেনসিডিল আর নোহা

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ধাওয়া খেয়ে রাস্তার পাশে খাদে নোহা মাইক্রোবাস ফেলে পালিয়েছে মাদককারবারিরা। এতে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করে ১৩০ কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত নোহা গাড়ি। শনিবার রাতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। এসময় পুলিশ সুপার বলেন, সন্দেহজনক একটি টয়োটা নোহা মাইক্রোবাসের গতিবিধি লক্ষ্য করে পুলিশ সেটিকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে গাড়িতে থাকা অজ্ঞাতনামা মাদককারবারিরা পুলিশের ধাওয়া খেয়ে কৌশলে মাইক্রোবাসটি রাস্তার পাশে খাদে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ গাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১৩০ কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত নোহা মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।

 

 

 

 

মাসুদ আলম বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, চেকপোস্ট পরিচালনা ও বিশেষ অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মাদকদ্রব্যের সরবরাহ, পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত চক্র শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিরসরাই সার্কেল) নাদিম হায়দার চৌধুরী, মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন এবং সীতাকুণ্ড থানার ওসি মহিনুল ইসলাম। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে মিরসরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।