খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

নাজমুল ইসলাম
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

সাভারের আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ একটি ভাড়া কক্ষে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া গেছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তসহ মরদেহ উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।

রোববার (১৬ই আগস্ট ২০২৬) বিকেলে আশুলিয়া ইউনিয়নের বাসাইদ এলাকায় রাজু সিটি সংলগ্ন মৃত আমির আলীর মালিকানাধীন বাড়ির একটি ভাড়া কক্ষের মেঝেতে নিহতের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানায়, আশুলিয়া ইউনিয়নের বাসাইদ এলাকার মৃত আমির আলীর মালিকানাধীন বাসায় প্রায় সাত দিন আগে রাজমিস্ত্রির কাজের কথা বলে দুজন ব্যক্তি কক্ষটি ভাড়া নেন। প্রতিবেশীদের সাথে তাদের তেমন কোনো যোগাযোগ ছিলো না। গত কয়েকদিন ধরে ঘরটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিলো। সকালের দিকে কক্ষটির ভেতর থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে প্রতিবেশীদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি আশুলিয়া থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে ঘরের মেঝেতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। নিহতের গলায় গামছা পেঁচানো রয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে পালিয়েছে খুনীরা।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও ফাঁড়ি ইনচার্জ আব্দুল হাই জানান, ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিলো। প্রাথমিক আলামত দেখে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে বাড়িওয়ালা ওই ভাড়াটিয়াদের জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ না করায় তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।