খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কাভার্ডভ্যান ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখিতে নিহত-৪

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কাভার্ডভ্যান ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখিতে নিহত-৪

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে কাভার্ডভ্যান ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। মাইক্রোবাসেরর যাত্রীরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে এই দূর্ঘটনার কবলে পড়ে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭ জন। এরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কর্ণফুলী উপজেলার কলেজ বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- নিয়াজ মোর্শেদ (২২) ও তার ছোট বোন মিমতাহ (১৭), মামা মো. ফেরদৌস আলম (৫৫) ও মাইক্রোবাসের চালক মো. মুন্না। নিহত ফেরদৌস আলম ফিরোজ ঈদগাঁওয়ের আরাফাত শপিং কমপ্লেক্সের নুরজাহান মেডিকোর স্বত্বাধিকারী। তার বাড়ি পোকখালী ইউনিয়নের গোমাতলী এলাকায়।

 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে শাহ আমানত সেতু পার হয়ে একটি কাভার্ডভ্যান দ্রুতগতিতে কলেজ বাজার এলাকায় ইউটার্ন নেওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ওই মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। মাইক্রোবাসটি উখিয়া থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসছিল। ভোররাতে কর্ণফুলীর কলেজ বাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় অন্যদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠান। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাস ও কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়েছে। তবে কাভার্ড ভ্যানের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।