খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যশোরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে কর্মশালা ছাদে সোলার স্থাপনে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী অমিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
যশোরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে কর্মশালা  ছাদে সোলার স্থাপনে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী অমিত

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শনিবার যশোরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘From Strategy to Action: Implementing the National RE Development Strategy and National Rooftop Solar Programme’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গ্রিন এনার্জি ট্রানজিশন-পলিসি অ্যাডভাইজরি পার্টনারশিপ (GET-PAP) প্রকল্পের আয়োজনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

কর্মশালায় যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা কমাতে সৌরবিদ্যুৎকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য দেশের সরকারি-বেসরকারি ভবন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাদে নতুন করে রুফটপ সোলার স্থাপনের সুযোগ কাজে লাগানোর কথা বলেন তিনি।

তিনি জানান, রুফটপ সোলার ব্যবস্থাকে মূলত দুইভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। প্রথমত, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রয়োজনের জন্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করবে। আর নিজেদের ব্যবহারের পর অতিরিক্ত যে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে, তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। সরকার সেই উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার কথা জানিয়েছে।

অমিত বলেন, এতে একদিকে বিদ্যুতের চাহিদার চাপ কমানো সম্ভব হবে, অন্যদিকে বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা নিজেদের ছাদকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, রুফটপ সোলার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের ব্যবধান উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির দিকে এগিয়ে যাওয়া এখন সময়ের দাবি। সরকার আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ ও রুফটপ সোলার সম্প্রসারণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কর্মশালায় জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল-২০২৬ বাস্তবায়ন, ২০৩০ সালের লক্ষ্য, বিভিন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন, অর্থায়ন ও কার্বন ক্রেডিট, প্রণোদনা ও নীতিগত সহায়তা এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নেট মিটারিংয়ের আওতায় রুফটপ সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের জয়েন্ট সেক্রেটারি ও কো-অর্ডিনেটিং ব্রাঞ্চের কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরাফিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন GIZ বাংলাদেশের এনার্জি ক্লাস্টারের সমন্বয়ক স্টোয়ানকা স্টিচ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব নূর আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন যশোরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশেক হাসান।

কর্মশালায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি এবং নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।