খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট হাব উদ্বোধন শুরু ৫ ফেব্রুয়ারি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট হাব উদ্বোধন শুরু ৫ ফেব্রুয়ারি

ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম বা ওয়েবসাইট চালু করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি এনবিআর এই ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করবে। ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট হাব নামে ওয়েবসাইটে গিয়ে পণ্যের এইচএস কোড দিয়ে আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সব তথ্যই পাওয়া যাবে। এছাড়া কমপ্লায়েন্স, রেগুলেটরি, কর অব্যাহতি সুবিধা, কী পরিমাণ কর দিতে হবে সব তথ্যই পাওয়া যাবে। পণ্য খালাস করতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন সেসব তথ্যও জানা যাবে। প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করেছে ইউনাইটেড স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ)। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এ বিষয়ে এনবিআরের সদস্য (কাস্টমস: নিরীক্ষা, আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমদানি-রপ্তানি করতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা অনেক ধরনের ভোগান্তিতে পড়েন। আমদানি করা পণ্য খালাস করতে গিয়েও তারা নানান ঝামেলায় পড়েন। একইভাবে রপ্তানি করতে গেলে নানান সমস্যায় পড়েন।

তিনি বলেন, ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট হাবের মাধ্যমে সব তথ্য জানতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। শুধু এইচএস কোড দিয়ে সার্চ দিলেই যাবতীয় বিষয় জানা যাবে। পণ্যের শুল্ক-কর সম্পর্কে জানা যাবে। এর ফলে পণ্য খালাসের সময় ব্যবসায়ীদের আর কোনো ঝামেলায় পড়তে হবে না। দরকারি সব কাগজপত্র আগে থেকেই তারা তৈরি করে রাখতে পারবেন। এনবিআর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কোন পণ্য কীভাবে আমদানি করলে কতটুকু কর অব্যাহতি পাওয়া যাবে, কোন পণ্য আমদানিতে কর অব্যাহতি নেই— এমন সব তথ্যই ব্যবসায়ীরা এই হাবের মাধ্যমে জানতে পারবেন। এছাড়া পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় ট্র্যাকিং সিস্টেম নিয়ে আসছে এনবিআরের কাস্টমস বিভাগ। বন্দর থেকে ওয়্যারহাউজ পর্যন্ত পণ্য চালান পৌঁছানোর পথে মালবাহী গাড়িকে ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা হবে। কাস্টমস কর্মকর্তা ও আমদানি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মনিটরিং করতে পারবেন।

আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

বক্তব্যে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট কমানো এবং সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কংগ্রেসটির আয়োজক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস