খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঐক্যের জাদুতে ঈদ পুনর্মিলনী জাদুশিল্পীদের মিলনমেলা, উচ্চারিত হলো ঐক্যের স্লোগান

খান আহমেদ ইফতেখার, ঢাকা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ঐক্যের জাদুতে ঈদ পুনর্মিলনী জাদুশিল্পীদের মিলনমেলা, উচ্চারিত হলো ঐক্যের স্লোগান

জাদু বা ম্যাজিক পছন্দ করেনা এমন মানুষ খুজে পাওয়া কঠিন। তাইতো এই জাদুশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে ও ঐক্যবদ্ধ করতে “জাদু শিল্পের উন্নয়নে আমরা সবাই এক” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান। দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা খ্যাতিমান ও উদীয়মান জাদুশিল্পীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে উঠেছিল রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির কনফারেন্স হল।

অনুষ্ঠানটি ছিল শুধুই আনন্দের উপলক্ষ নয়, বরং জাদুশিল্পের ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা নিয়ে এক আন্তরিক আলোচনার প্ল্যাটফর্মও বটে। এতে অংশগ্রহণ করেন দেশ নন্দিত জাদুশিল্পী শাহীন শাহ্, বাসেদ মাহমুদ, এ কে আজাদ, বদিউজ্জামান, স্বপন দিনার, বিদেশ অধিকারী, সাদাত মামুন, সোহাগ খান, রাজ রানীসহ আরও অনেক বরেণ্য, তরুণ ও নবীন জাদুশিল্পী।

অনুষ্ঠানের জাদুশিল্পী ঐক্য কল্যাণ সংস্থা ও জাদুশিল্পী পরিষদের সভাপতি নন্দিত জাদুশিল্পী শাহীন শাহ্ বলেন, জাদু শুধু বিনোদন নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। আমরা সবাই মিলে এর উন্নয়নে এগিয়ে যেতে চাই। তরুণদের মাঝে জাদু নিয়ে আগ্রহ তৈরি করতে হবে।

বাসেদ মাহমুদ তার বক্তব্যে জাদুশিল্পীদের সংগঠিত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, জাদু শিল্পের পেশাদারিত্ব ও সামাজিক স্বীকৃতি বাড়াতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পূর্ণমিলনী শুধু মিলনের উপলক্ষ নয়, এটি আমাদের অঙ্গীকারের মঞ্চ।

অনুষ্ঠানে জাদু প্রদর্শনী ছাড়াও ছিল শিল্পীদের স্বতঃস্ফূর্ত মতবিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময়, এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা। তরুণ জাদুশিল্পীরা তাদের মতামতে জানান- দেশে একটি ‘ম্যাজিক স্কুল’ হোক, যেখানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং গবেষণার সুযোগ থাকবে।

নিউ জেনারেশন মেন্টালিজম ম্যাজিশিয়ান সাদাত মামুন জানান, অনেকেই এখনও মনে করেন জাদু শুধুই ভেলকি। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম, পরিকল্পনা আর নানাবিধ সামাজিক বার্তা। এই দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে আমাদেরই কাজ করতে হবে।

পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল উচ্ছ্বাস, ভাবনার গভীরতা এবং একটাই বার্তা- জাদু শিল্প কোনো একক মানুষের বিষয় নয়, বরং এটি একটি যৌথ প্রয়াস; একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলন। অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই জাদু শিল্প একদিন দেশের সাংস্কৃতিক গৌরবের অন্যতম স্তম্ভ হয়ে উঠবে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।