খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হবিগঞ্জে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর ১৯২তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
হবিগঞ্জে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর ১৯২তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত

হবিগঞ্জ জেলার দুর্নীতি বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই, স্লোগান সামনে রেখে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি সরকারি স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর সংস্থা সমূহে সেবার মান বৃদ্ধি , সেবা গ্রহিতাদের হয়রানি রোধে দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্য সোমবার সকাল ১০ থেকে সারাদিন ব্যাপী হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক) এর ১৯২ তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন । প্রধান অতিথি বলেন  আমরা দুর্নীতি দমন কমিশন যে কাজে এসেছি এটি হচ্ছে গণশুনানি। যদি আজকে এখানে একটা গণভোট করি আমরা কে কে দুর্নীতি চাই না । কতভাগ ভোট পড়বে চাই না’র পক্ষে? শতভাগ। শতভাগ যদি চাই না চাই না’র পক্ষে পড়ে , তাহলে এবার এই জেলায় দুর্নীতি হয় কিভাবে তাহলে দেখা যাচ্ছে যে আমাদের ‘চাই না’ এবং চাই এর মাঝখানে একটা ফাঁক আছে । ওই ফাঁকটা পূরণ করতে এই অনুষ্ঠান । এটা মূলত এক ধরনের জাগরণীর অনুষ্ঠান ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য কমিশনার (তদন্ত) মিয়া মুহাম্মদ আলী আকবার আজিজী বলেন সেবাগ্রহীতাগণ তাদের প্রাপ্য সেবা পেতে তারা আইনগত অধিকার সংরক্ষণ করেন । সেবাদাতা গুলো সেবা দেয়ার জন্য আইনগত ভাবে বাধ্য কিন্তু ব্যত্যয় ঘটে । আর ব্যত্যয় ঘটে বললেই সেবাগ্রহীতাগণ নিপীড়নের শিকার হন “। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন দুদক সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম , দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মোঃ আক্তার হোসেন , হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান প্রমূখ । হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন সভাপতিত্বে গণশুনানি বিভিন্ন সরকারি অফিসের সেবা প্রাপ্তিতে হয়রানি শিকার বা সেবা বনচিত সংক্ষুদ্ধ ৯ টি উপজেলার জনসাধারণ তাদের অভিযোগ গুলো হবিগঞ্জ জেলার সরকারি দপ্তর কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কমিশনের সামনে তুলে ধরেন ।

একই সেবা বনচিত জনসাধারণের উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ড.মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন । গণশুনানিতে দুদকের তফসিল ভুক্ত ৮১ টি অভিযোগের শুনানি হয়। যার মধ্যে ৩ টি অভিযোগ অনুসন্ধানে নেয়া হয়েছে । ৬০টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয় । বাকি অভিযোগ গুলো প্রতিবেদন দাখিল সাপেক্ষে নিষ্পত্তি করা হবে জানান । সরকারি পরিসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করণ এবং সরকারি কর্মকর্তা – কর্মচারীদের মাঝে সততা , নিষ্ঠা , জবাবদিহিতা , মূল্যাবোধ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল করাই গণশুনানির মূল অভিপ্রায় ।

এর আগে গণশুনানিতে জনসাধারণের স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহনের জন্য হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় সপ্তাহ ব্যাপী মাইকিং, পোস্টার, লিফলেট বিতরণ বুথ স্থাপন সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে দুদক এর পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার – প্রচারণা করায় জেলার গণশুনানির বিষয়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে । গণশুনানি সরাসরি সেবা দাতা কর্মকর্তা – কর্মচারী, সকল শ্রেণির পেশা নাগরিক , প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া উপস্থিত ছিলেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।