খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চাঁদপুরে ঢাবিয়ানের উদ্যোগে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
চাঁদপুরে ঢাবিয়ানের উদ্যোগে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
সামাজিক সংগঠন ‘চাঁদপুরে ঢাবিয়ান’ এর উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে  -ঢাকার ডাক

চাঁদপুরের সামাজিক সংগঠন ‘চাঁদপুরে ঢাবিয়ান’ এর উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আর্থিকভাবে অসচ্ছল ১৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সকালে অনুষ্ঠানে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ কিস্তি, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় কিস্তি এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রথম কিস্তির বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়। চাঁদপুরে ঢাবিয়ানের সভাপতি অধ্যাপক আলমগীর হোসেন বাহারের সভাপতিত্বে এবং পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পুরবী সরকার শম্পার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম গাউস রাসেল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মো. মাকছুদুর রহমান, পৃষ্ঠপোষক এবিএম শামসুল আলম (হিরু), উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট ইকবাল বিন বাশার, উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ রুহুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ আলী খান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আল আসাদ বাবর, অর্থ সম্পাদক মো. মাসুদ আলম, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সুমন মজুমদার, মিডিয়া ও আইটি সম্পাদক আব্দুল মতিন সরকার নিসাত, সদস্য তানজিল আহমেদ, মো. মাহবুবুর রহমান, মো. রেদওয়ান, মো. মমিনুল ইসলাম, মো. মাহবুব আলমসহ বিভিন্ন পেশায় কর্মরত প্রাক্তন ঢাবিয়ানরা। বক্তারা বলেন, কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন অর্থের অভাবে বাধাগ্রস্ত না হয় সে লক্ষ্যেই চাঁদপুরে ঢাবিয়ান কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা। তারা আরো বলেন, চাঁদপুরে ঢাবিয়ানের এই মানবিক উদ্যোগ উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিজেদের সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন যা সমাজের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। বক্তারা উল্লেখ করেন, শিক্ষাই একটি জাতির উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী শুধু আর্থিক সংকটের কারণে তাদের স্বপ্নপূরণের পথে বাধার সম্মুখীন হয়। চাঁদপুরে ঢাবিয়ানের শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম সেই বাধা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তারা বলেন, এই সহায়তাকে শুধু আর্থিক সহযোগিতা হিসেবে নয় বরং সমাজের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আস্থা ও বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে।মেধা, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সেই আস্থার প্রতিদান দিতে হবে। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াবে এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন বক্তারা। অনুষ্ঠানের শেষে চাঁদপুরে ঢাবিয়ানের সকল সদস্য, পৃষ্ঠপোষক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। পাশাপাশি শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম আগামী দিনে আরো বিস্তৃত হয়ে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।