খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘রয়েল সাহিত্য সম্মাননা ২০২৬’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘রয়েল সাহিত্য সম্মাননা ২০২৬’

রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে রয়েল পাবলিকেশনের আয়োজনে ‘রয়েল সাহিত্য সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা পত্রিকার সম্পাদক অশোক ধর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠসৈনিক ও প্রখ্যাত লেখক ডা. অরূপরতন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মেঘদূত সম্পাদক ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক জামশেদ ওয়াজেদ এবং বীজবিস্তার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. এম. এ. সোবহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রয়েল পাবলিকেশনের প্রকাশক মো. মনিরুল ইসলাম (রয়েল)।

এ বছর ‘রয়েল সাহিত্য অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন ডা. অরূপরতন চৌধুরী, জামশেদ ওয়াজেদ এবং খান আখতার হোসেন।

গ্রন্থ বিচারে ‘রয়েল সাহিত্য সম্মাননা ২০২৬’ প্রাপ্তদের মধ্যে ছোটগল্প বিভাগে সম্মাননা অর্জন করেন ডা. সাবরিনা হুসেন মিষ্টি (দূষিত মানবী), এস. আফরোজ (দুঃখ বিলাস) এবং হোসাইন মোহাম্মদ ইমরান (ক্ষণিকের আগন্তুক)।

থ্রিলার বিভাগে সম্মাননা পান সিফাত নুসরাত (দ্য রেড মুন) ও উম্মে কুলসুম ঝুমু (মোহমায়া)।

উপন্যাস বিভাগে সম্মাননা অর্জন করেন আলি ইসলাম মুমেন (আঁধার পথের পেছনের পথ), জসিম গাজী (মৌন আলোর মানুষ) এবং শেখ নুরুজ্জামান রনি (ইন্দ্রাণী)।

কবিতা বিভাগে সম্মাননা পান মো. মুজাহিদুল ইসলাম, মো. আল আমীন (অপেক্ষায়), সাইয়্যেদ শাহ্ নূরে আরিফ (প্রেয়সির তরে মন্দবাসা চেয়েছি), তৌয়েবুর রহমান (গহীনের কথা), জেবি জাহাঙ্গীর হোসেন (কবিতার রানী), শেখ শাদ (গল্পকারের অস্তিত্ব), অনিক কুমার সরকার (পথের বাঁকে), এম. রাজু (রংহীন মায়া), ঋদ্ধি মালিনী (মঞ্জরীমালা) এবং রোকেয়া বেগম (ভালো নেই)।

প্রচ্ছদ শিল্পী হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন ফারহান শিব্বির ও ফাইজা ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সাহিত্য আলোচনা করেন কথাসাহিত্যিক মনজু খন্দকার, মেঠো কবি মফিদুল ইসলাম, কথাশিল্পী নুর উদ্দিন শেখ, কথাসাহিত্যিক শামীম আহমেদ সৃজন, কবি কবির হুমায়ুন, কবি সেলিনা আহাম্মেদ ডোডন, কবি আবু তালেবসহ শতাধিক কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মী।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।