খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রান্তিক কৃষকদের কল্যাণ নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার: ডেপুটি স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
প্রান্তিক কৃষকদের কল্যাণ নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার: ডেপুটি স্পিকার

বিশেষ প্রতিনিধি: কৃষকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি প্রণোদনা এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রদানের মাধ্যমে কৃষিকে আরও টেকসই, উৎপাদনশীল ও লাভজনক করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যরিস্টার কায়সার কামাল।

২৯ জুন সোমবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি’র সঙ্গে  জাতীয় সংসদ ভবনে নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকদের ১১ (এগারো) সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে এসব কথা বলেন ডেপুটি স্পিকার।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে হারভেস্টার যন্ত্র সরবরাহ, সার ও উন্নতমানের বীজের সহজলভ্যতা, সেচ সুবিধার সম্প্রসারণ, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, ভর্তুকি ও কৃষিঋণ প্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন।এছাড়া তাঁরা এলাকার রাস্তা, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক বিষয়েও ডেপুটি স্পীকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁরা কৃষিবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ণে সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন।

ডেপুটি স্পীকার প্রতিনিধিদলের বক্তব্য মনোযোগ ও ধৈর্য‌্যসহকারে শোনেন এবং বলেন, “আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনাদের ভোটে আমি নির্বাচিত হয়েছি। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আপনাদের এবং দেশের সেবা করতে চাই। দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রান্তিক কৃষকদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।কৃষকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি প্রণোদনা এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রদানের মাধ্যমে কৃষিকে আরও টেকসই, উৎপাদনশীল ও লাভজনক করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

ডেপুটি স্পীকার আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং কৃষকের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে কৃষিসেবা আরও কার্যকর করা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা সম্প্রসারণে সরকার বদ্ধপরিকর।তিনি এলাকার রাস্তা, সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং কৃষক কার্ড প্রাপ্তির বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে জনপ্রতিনিধি, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কৃষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।কৃষকের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। তাই কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইন, নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদ এবং সরকার সর্বদা সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করবে।” তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

প্রান্তিক কৃষক প্রতিনিধিদলের সদস্যরা তাঁদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য ডেপুটি স্পীকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং কৃষকদের সমস্যা সমাধান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তাঁর অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাৎটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।