খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। তালিকা প্রণয়ন সম্পন্ন হলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও কৃষি কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে সরকার বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ।

১১ জুলাই শনিবার কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও চাষিদের সঠিক তথ্য সংগ্রহে স্থানীয় প্রশাসন কাজ করছে। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের পর সরকার তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করবে।সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করার পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই এর অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করছেন। তাই এ কর্মসূচিতে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।

সরকার বাংলাদেশকে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যেই সারা দেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে ফলের উৎপাদন বেশি হয়, সেখানে সেই ফলের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার সারাদেশে পর্যায়ক্রমে মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হয়েছে, আগামীতে আরো প্রায় দুই হাজারের বেশি মিনি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই কৃষকের উন্নয়ন, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, কুমিল্লা সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।